গাজীপুর নির্বাচন দেখে বিএনপি সিদ্ধান্ত নিবে পরের নির্বাচনে অংশ নিবে কিনা : ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক
২৩ জুন, ২০১৮


বাংলাপ্রেস অনলাইন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘গাজীপুরের নির্বাচনের পরে আমরা ঠিক করবো, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব; পরবর্তী তিন সিটি বরিশাল, সিলেট এবং রাজশাহীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি-না।’

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘যুব সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মওদুদ আহমদ বলেন, ‘গাজীপুরের নির্বাচনে অসম্ভব জনসমর্থন রয়েছে ধানের শীষের পক্ষে। এই নির্বাচন হবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের জন্য একটা এসিড টেস্ট। আমরা দেখব তারা কী করে। যদি খুলনা স্টাইলে নির্বাচন করে তাহলে গাজীপুরে এর পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।’ বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চাই। যে কারণে, যে চেতনায় বাংলাদেশের জন্য আমরা যুদ্ধ করেছিলাম সেটা ফিরে পেতে চাই। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সেই জন্যই আজকের আন্দোলন। কোনো বিশেষ দলকে ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এই আন্দোলন নয়।’ রাজনৈতিক কারণেই খালেদা জিয়ার কারাবাস- এমন দাবি করে সরকারের উদ্দেশে সাবেক এই আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কতভাবে কৌশল করবেন, কতভাবে বিলম্বিত করবেন, জামিন তো তার হবেই এবং তিনি মুক্ত হয়ে আসবেন এবং তাকে নিয়েই আমরা নির্বাচন করবো।’

ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, ‘স্বৈরাচারী শক্তিকে প্রতিরোধের সময় ঘনিয়ে আসছে। অন্যায়-অবিচার, অত্যাচার, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা- এগুলো রুখে দাঁড়াতে হবে। প্রতিরোধের জন্য যথেষ্ট শক্তি সঞ্চয় করতে হবে। মওদুদ আরও বলেন, যখন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়ার রাজনৈতিক মুহূর্ত আসবে, গণতন্ত্র আসবে কি আসবে না; তখন হেরে যাওয়ার ভয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করতে পারে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তারা ক্ষমতা হারাতে চাইবে না। তাই আজ প্রত্যেকটা শ্রেণির মানুষের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’ তাছাড়া, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী গণভবনে আওয়ামী লীগের এক সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী এতদিনে যথার্থই উপলব্ধি করেছেন যে, তার দলের প্রতি ও তার সরকারের প্রতি ভোটারদের আস্থা নেই।’

শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘লুটপাট, দখল, ডাকাতি, ব্যাংকের টাকা তসরুপ, খুন, জখম, বেআইনি হত্যা, গুম, সন্ত্রাসীদের লালন-পালন, ভোট জালিয়াতি এবং একের পর এক ভোটারবিহীন নির্বাচন করার কারনে ভোটারদের আস্থা শূন্যের কোঠায় চলে গেছে।

বাংলাপ্রেস/ আর এল