নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সির বিধানসভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সিদ্ধান্ত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক
১৮ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ও নিউ জার্সি স্টেট সিনেটসহ রাজ্য বিধানসভায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পালনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাবনার সিদ্ধান্ত পাশ হয়েছে। আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হবে।
নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন লু স্টেট সিনেটে প্রস্তাবটি উত্থাপন করলে ২৬ মার্চকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে নিউ ইয়র্ক স্টেটের ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত হয়। এখন থেকে এ দিনটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসাবে নিউ ইয়র্ক স্টেট উদযাপন করবে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নিউ ইয়র্কের রাজধানী আলবেনিতে এ দিবসটি নিয়ে কয়েক দফা প্রস্তাবনা পাশ হয়েছিল কিন্তু বাস্তবে কিছুই হয়নি। তবে এই প্রথম সিনেটে আইন হিসেবে দিনটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নিউ ইয়র্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনসহ আরো অনেকেই এ কৃতিত্বের দাবিদার বলে জানা গেছে। নিউ ইয়র্কের রাজধানী আলবেনিতে এ দিবসটি পরিষদে প্রস্তাবনা পাশের দাবিদার ছিলেন ব্রঙ্কসের জনৈক প্রয়াত ব্যক্তি। কয়েক বছর আগে তিনি দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হবার পর এখন অনেকেই এ কৃতিত্ব দাবি করছেন। চলতি বছরের গৃহিত প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
সিনেটর জন লু উল্লেখ করেন, আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকানরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বাংলাদেশি আমেরিকানদের তাদের সুবর্ণজয়ন্তী পালনে সহায়তা করার মধ্য দিয়ে তাদের অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর কাছাকাছি নিয়ে আসবে নিউ ইয়র্ক স্টেট।
এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ বা ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে এই আইনসভা। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এ দিকে নিউজার্সি স্টেট সিনেট ও রাজ্য বিধানসভায় মুজিববর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে যৌথভাবে পাশ হওয়া রেজ্যুলেশনে বাংলাদেশি-আমেরিকান এবং বাংলাদেশের মানুষকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার প্রদানে বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্ব এবং সদ্য স্বাধীন দেশটিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে আত্মনিয়োগকারী বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে এই রেজ্যুলেশনে।

বিপি।এসএম