টিকা নিশ্চিতে জবিতে ফের তথ্য গ্রহণ শুরু

বাংলাপ্রেস ডেস্ক
১৮ আগস্ট, ২০২১

জবি প্রতিনিধি: করোনাভাইরাসের টিকা নিশ্চিত করতে দ্বিতীয় মেয়াদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য তথ্যাদি পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের এনআইডি (জাতীয় পরিচয় পত্র) কার্ড না থাকা এবং নতুন করে এনআইডি কার্ড পাওয়ার পরেও করোনার টিকা গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্যই দ্বিতীয় মেয়াদে টিকা রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বুধবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের নেটওয়ার্ক এন্ড আইটি দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর।

এতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এবং এমফিল ও পিএইচডি গবেষকবৃন্দকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যে তাদের নামের তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে প্রেরণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ধারী শিক্ষার্থী অথবা গবেষককে ইংরেজী ক্যাপিটাল লেটারে জরুরী ভিত্তিতে আগামী ১৮ আগস্ট, ২০২১ ইং তারিখ হতে ২৩ আগস্ট, ২০২১ ইং তারিখের মধ্যে নিম্নবর্ণিত লিংকে চাহিত তথ্যাদি প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলো।

তথ্য প্রদানের লিংক www.jnu.ac.bd/vfc19

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ইতিপূর্বে যে সকল শিক্ষার্থী এবং গবেষকগণ তথ্য প্রদান করেছেন তাদের তথ্য প্রদান করার প্রয়োজন নেই।

এর আগে টিকা পেতে প্রথম ধাপে চলতি বছরের ৩ জুন থেকে ১০ জুনের মধ্যে তথ্যাদি প্রদানের জন্য অনুরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে আবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৯ হাজার ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী।

এর পূর্বে গত ১৩ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এরই প্রেক্ষিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই তাদের দ্রুততম সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করার আহ্বান জানায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এনআইডি করার সুবিধার্থে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ডের সফট কপিও ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়।

বিপি/কেজে