Home বিনোদন গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নির্বাচনে অনিয়ম, কমিশনের সাথে বৈঠক কর্মকর্তাদের

গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন নির্বাচনে অনিয়ম, কমিশনের সাথে বৈঠক কর্মকর্তাদের

by bnbanglapress

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে অনিয়ম, অসঙ্গতি ও কারচুপির অভিযোগের পর এ নিয়ে আলোচনা করতে জাতীয় সম্মেলনের নির্বাচন কমিশন সদস্যদের সাথে বৈঠক করেছেন সংগঠনটির  বেশ কয়েকজন নেতা।

বৈঠকে সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা মহানগরীর ফলাফল স্থগিত করার কথা নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ২৩২টির স্থলে ২৩৪টি ভোট পাওয়া গেছে বলেও নিশ্চিত করেন তারা।

একই সাথে এই নির্বাচনে ঘটে যাওয়া অনিয়মগুলো নিয়ে আগামী ১৮ই মে পরবর্তী সভায় মিলিত হবার জন্য সংশ্লিষ্টদের পত্র মারফত অনুরোধ করেছে কমিশন।

বৈঠকে এসময় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কমিশনার দেবপ্রসাদ দেবনাথ, আরহাম আলো ও তাপস সরকার এবং প্রার্থীদের মধ্যে নাদের চৌধুরী, আকতারুজ্জামান, আহম্মেদ গিয়াস, হাফিজুর রহমান সুরুজ, কামরুন নূর, আনোয়ার হোসেন ও জিয়াউল হাসান জিয়া উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় ও নির্বাহী পরিষদের নির্বাচন। এতে ব্যাপক অনিয়ম, অসঙ্গতি ও কারচুপির অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন পরিচালনা পরিষদ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন সভাপতিমণ্ডলীর চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী ঝুনা চৌধুরীসহ নির্বাচনে অংশ নেয়া অন্তত নয়জন প্রার্থী।

লিখিত ওই অভিযোগপত্রে নির্বাচনের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে বলা হয়, নির্বাচনে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের ভোটার ২৩২ জন। অথচ ভোট গণনায় দেখা যায় মোট ব্যালট পেপার ২৩৪টি। এই অতিরিক্ত দুই ব্যালট পেপারেই প্রমাণিত হয় নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি ও কারচুপি হয়েছে।

এছাড়া, ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা মহানগর) পদের ভোট গণনায় তপন হাফিজ পেয়েছেন ৩২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াউল হাসান জিয়া পেয়েছেন ২৯ ভোট। উভয় প্রার্থীর ভোটের যোগফল হয় ৬১। অথচ ঢাকা মহনগরীতে ভোটার সংখ্যা ৬০টি। সুতরাং এখানেও প্রমাণিত হয় নিশ্চিতভাবে ভোট জালিয়াতি হয়েছে।

ওই অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, শুধুমাত্র নাট্যকর্মীদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কমিশন এই নির্বাচন সম্পন্ন করবেন, এটাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু নির্বাচনের দিন আমরা বিস্ময়ের সাথে প্রত্যক্ষ করেছি- ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনার সকল পর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমির বিপুলসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নির্বাচনী কক্ষে উপস্থিতি ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ কোনোভাবেই নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেয় না। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জেনেও নির্বাচন কমিশনের এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ নানাবিধ প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং ব্যাখ্যার দাবি রাখে।

ওই পত্রে আরো বলা হয়, সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য উপরোক্ত বিষয়সমূহের ব্যাখ্যা নির্বাচন কমিশন প্রদান করবেন। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়।

You may also like

Leave a Comment

কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বৃহত্তম বাংলা অনলাইন সংবাদপত্র

ফোন: +১-৮৬০-৯৭০-৭৫৭৫   ইমেইল: [email protected]
স্বত্ব © ২০১৫-২০২৩ বাংলা প্রেস | সম্পাদক ও প্রকাশক: ছাবেদ সাথী