২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৯ মিনিটেই গোল: ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কিনিয়োনেস

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
৯ মিনিটেই গোল: ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম গোলদাতা মেক্সিকোর কিনিয়োনেস

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: আবারও ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠছে বিশ্ব। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সহ-আয়োজক মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্বকাপের উদ্বোধনী বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি। মেক্সিকো সবুজ জার্সি ও দক্ষিণ আফ্রিকা হলুদ জার্সি পরে খেলছে।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম গোলটি এল মেক্সিকোর হুলিয়ান কিনিয়োনেসের পা থেকে। ৯ মিনিটে গোলটি করেছেন এই ফরোয়ার্ড।

২০১০ সালে আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেও এই দুই দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল। সেবার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে দেখা হলো তাদের।

মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রায় ৮০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ৩৯ দিনের এই মহাযজ্ঞ।

এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। মোট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ৪০টি বেশি।

প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা—যৌথভাবে আয়োজন করছে বিশ্বকাপ।

ম্যাচ শুরুর ৯০ মিনিট আগে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। সেখানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশ্বখ্যাত কলম্বিয়ান শিল্পী শাকিরা। এছাড়া জে বালভিন ও দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা টাইলাও অংশ নেন।

‘এ’ গ্রুপে রয়েছে মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, চেকিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।

প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি পরবর্তী পর্বে উঠবে। এছাড়া ১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলও শেষ ৩২-এর নতুন পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।

দুই দলের মধ্যে এটি হবে পঞ্চম সাক্ষাৎ। আগের চার ম্যাচে মেক্সিকো জিতেছে দুটি, দক্ষিণ আফ্রিকা একটি এবং একটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।

সবশেষ দেখা হয়েছিল ২০১০ সালের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে। সেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার সিফিওয়ে শাবালালার দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে গেলেও পরে সমতা ফেরান রাফায়েল মার্কেস। ফলে ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়।

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি