৯ অক্টোবর ২০২৬

আবু সাঈদের আত্মত্যাগ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট : ত্রাণমন্ত্রী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম
আবু সাঈদের আত্মত্যাগ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট : ত্রাণমন্ত্রী

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন টার্নিং পয়েন্টে পৌঁছেছিল বলে মন্তব্য করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, আবু সাঈদের পাশাপাশি সারাদেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ তরুণ, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী, শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আত্মদান করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পতন হয়েছে। রংপুরের সন্তান আবু সাঈদকে নিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ গর্ববোধ করেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রবেশমুখে শহীদ আবু সাঈদ গেট নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আবু সাঈদের স্মৃতি ধরে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশমুখে তাঁর নামে গেট নির্মাণের উদ্যোগ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

ভবিষ্যতে এ পথ দিয়ে চলাচলকারী মানুষ গেটটি দেখে তাঁর আত্মত্যাগের কথা জানতে পারবেন। জুলাইয়ে আত্মদানকারীদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে।

রংপুরের উন্নয়ন ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রংপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণেও সরকার কাজ করছে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৭ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য সরকার বড় ধরনের বরাদ্দ দিয়েছে। রংপুরে শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। সরকার কোনো অঞ্চলকে বৈষম্যের মধ্যে রাখতে চায় না।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সনদ বাস্তবায়নে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে বিরোধী পক্ষকেও রাখা হয়েছে। যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় সরকার। আর যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করা হবে।


মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাদকাসক্তি শুধু রংপুর নয়, গোটা বাংলাদেশের একটি সামাজিক সমস্যা। বিশেষ করে তরুণেরা এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ সমস্যা মোকাবেলায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হচ্ছে। আগামী ১৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাটে এ আন্দোলনের কার্যক্রম দেখতে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এ উদ্যোগের মডেল সারাদেশে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; এ জন্য সামাজিকভাবেও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি