৪ এপ্রিল ২০২৬

বাজারে এখনও স্বস্তির আলো নেই

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২২ পিএম
বাজারে এখনও স্বস্তির আলো নেই

মুরগি-সবজি চড়া ডিম ডজনে বেড়েছে ১০ টাকা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   রাজধানীর বাজারে স্বস্তি যেন ফিরছেই না। ঈদুল ফিতরের দুই সপ্তাহ আগেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়া শুরু হয়েছিল। সব ধরনের মুরগির দাম হঠাৎ করে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। সবজির দামও ছিল চড়া।

বাজারে এখনো সেই আগের দামেই সেসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। মুরগির দাম সামান্য কমলেও এখনো সাধারণ মানুষের নাগালে আসেনি। উল্টো সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি।

তবে পিঁয়াজের দাম সামান্য কমেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ আগের চেয়ে বেশি। তাই সবজি থেকে শুরু করে অন্যান্য পণ্যের দাম সামান্য বেড়েছে। যেসব পণ্য আগে থেকে মজুত ছিল সেগুলোর দাম বাড়েনি।

গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি এখন কেজিতে ১৮০-১৯০, সোনালি কক ৩৪০-৩৫০, সোনালি হাইব্রিড ৩২০, লাল লেয়ার ৩২০-৩৩০, সাদা লেয়ার ২৯০ ও দেশি মুরগি ৬৮০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১২০ টাকা। গরুর মাংস ৮০০-৮৫০ ও খাসির মাংস ১০৫০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই ৭০-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মরিচ ১২০-১৩০, পেঁপে ৪০ ও মিষ্টিকুমড়া ৫০-৬০, আলু ২০, করলা ৮০-১০০, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৭০-৮০, পটোল ৮০-১০০, ধুন্ধল ৭০-৮০, টম্যাটো ও শসা ৫০-৬০ ও শজিনার কেজি ১২০ টাকা।

মাঝারি মানের লাউয়ের পিস ৮০-১০০ টাকা। মানভেদে লেবুর হালি ৪০-৫০ টাকা। পিঁয়াজের কেজি ৩৫-৪০ টাকা। চালের মধ্যে মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৮৫-৮৮, রশিদ ৭৫-৮০, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি। চিকন মসুর ডালের কেজি ১৫০-১৫৫, মোটা মসুর ৯০-১০০, বড় মুগ ১৪০, ছোট মুগ ১৭০, খেসারি ১০০, মাষকলাই ১৮০ এবং বুটের ডাল ১১৫ টাকা।

রুই মাছ ৩০০-৩৫০, কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, চিংড়ি ৬৫০-৭৫০, মাঝারি আকারের কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩০০-৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি