২১ এপ্রিল ২০২৬

বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার্থে সুপ্রিম কোর্টে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৮ পিএম
বিচারপ্রার্থীদের সুবিধার্থে সুপ্রিম কোর্টে নৈশকালীন ডাকঘর চালুর উদ্যোগ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিচারপ্রার্থী জনগণের ডাকসেবা দ্রুততর করতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নৈশকালীন ডাকঘর বা দ্বিতীয় শিফট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডাকঘর অধিদপ্তর, আগারগাঁও থেকে গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ এ সংক্রান্ত একটি পত্র জারি করা হয়।

পত্রে জানানো হয়, বিদ্যমান সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি অতিরিক্ত সময় সেবা চালুর বিষয়ে গ্রাহকদের চাহিদা এবং সরকারি কাজের সুবিধা বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য পত্রটি পোস্টমাস্টার জেনারেল, মেট্রোপলিটন সার্কেল ঢাকা বরাবর পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নৈশকালীন সেবা চালুর পরবর্তী তিন মাসের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এস এম আরিফ মণ্ডল সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি সান্ধ্যকালীন বা ‘বি-গ্রেড’ ডাকসেবা চালুর জন্য ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন।

প্রস্তাবিত এ সেবা চালু হলে প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ডাকসেবা পাওয়া যাবে। এতে উচ্চ আদালতের আদেশ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি দ্রুত সংশ্লিষ্ট আদালত ও বিচারপ্রার্থীদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে ফৌজদারি মামলার জামিন আদেশ দ্রুত জেলা জজ আদালতে পৌঁছানো গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তির মুক্তি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি দেওয়ানি ও রিট মামলার আদেশ পেতে দীর্ঘসূত্রতা কমবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণের সাব-পোস্ট অফিসটি দুপুর ২টা পর্যন্ত সেবা দিয়ে থাকে। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আদালতের ডেসপ্যাচ শাখার কাজের চাপ কমবে এবং প্রতিদিনের আদেশ একই দিনে প্রেরণ করা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে এস এম আরিফ মণ্ডল জানান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নৈশকালীন ডাকসেবা চালু হলে বিচারপ্রার্থীরা দ্রুত সেবা পাবেন এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে।

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি