বইমেলা শুধু মেলা নয়, এটা একটা মিলন মেলা : প্রধানমন্ত্রী
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বইমেলা শুধু বইমেলা নয়। এটা একটা মিলন মেলা। করোনার কারণে ঘরবন্দী থাকার কষ্ট অনেকটাই দূর হবে বইমেলায় এসে।
অমর একুশে বইমেলা-২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি এবারের বইমেলা উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রী এসময় বলেন, বাংলা যেমন আমাদের আনন্দের ভাষা, তেমনি প্রতিবাদেরও ভাষা। বাংলা ভাষার পরিচিতি বাড়াতে ডিজিটাল প্রকাশনা করতে হবে।
নিরাপত্তার অজুহাতে এখন আর আগের মতো বইমেলায় ঘুরতে পারেন না বলে এসময় আক্ষেপ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি সব সময় বইমেলায় গিয়েছি। সেখানে বইয়ের স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেচি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবার পর বিষয়টিতে ছন্দপতন ঘটে। নিরাপত্তার অজুহাতে এখন আর বইমেলায় ঘুরতে পারি না।
তিনি বলেন, করোনা মাহামারীর কারণে বইমেলা শুরু করতে দেরি হলো। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে বইমেলা শুরু হয়। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতির কারণে এই মেলা শুরু হলো ১৫ ফেব্রুয়ারি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা একাডেমিতে আমরা বইমেলা আয়োজন করে আসছি। এটা আমাদের প্রাণের মেলা। পাকিস্তান সরকার আরবি ও রোমান ভাষায় বাংলা লেখার প্রচলন করতে চেয়েছিল। আমি বলবো, বাংলা যেমন আমাদের আনন্দের ভাষা তেমন আমাদের প্রতিবাদেরও ভাষা।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ও ভাষা আন্দোলনে শহীদ ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধার জানান।
তিনি বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় এবারের বইমেলা দেরি করে শুরু করতে হল। যারা বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, তাদের আমি ধন্যবাদ জানাই। ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৭ সালে করাচিতে এক সভায় বাংলাকে মাতৃভাষার স্বীকৃতি দিতে আহ্বান জানানো হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যে আন্দোলন করা হবে, এর সিদ্ধান্ত বঙ্গবন্ধুই দিয়েছিলেন। পাকিস্তান কখনোই আমাদের ভাষাকে স্বীকৃতি দিতে চায়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ তারিখে বইমেলা শুরু হয়েছে। তবে আমার ইচ্ছা এই মেলা ১৭ মার্চ পর্যন্ত চালানো। আশা করছি সবাই স্বাস্থ্য-সুরক্ষা মেনে বইমেলায় আসবেন। সবাই টিকা নেবেন। মাস্ক পরে সবাইকে সুরক্ষিত থাকতে হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাংলাকে পরিচিত করাতে বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। ডিজিটাল প্রকাশনা করতে হবে। আধুনিক এই প্রকাশনা বাদ দিলে চলবে না।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি