বন্যার প্রভাবে বাজারে আগুন, বেড়েছে সবজির দাম
ফাইল ছবি
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: টানা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। দেশি পেঁয়াজের দাম একলাফে ৬০ টাকা কেজি হয়েছে।
কয়েক দিন আগেও এই নিত্যপণ্য খুচরায় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা মরিচ, ডিম, মুরগি ও বেশির ভাগ সবজির দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস।
কয়েক দিন আগেও এই নিত্যপণ্য খুচরায় ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
একই সঙ্গে বেড়েছে কাঁচা মরিচ, ডিম, মুরগি ও বেশির ভাগ সবজির দাম। আগের চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে মাছ ও মাংস।
রাজধানীর জোয়ারসাহারা, বাড্ডা ও রামপুরাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভালো মানের পেঁয়াজ খুচরা বাজারে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের পেঁয়াজের দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।
পাইকারি বাজারে পাঁচ কেজির এক পাল্লা ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও ছিল ২০০ থেকে ২২০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। মোকাম থেকে ঢাকায় পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। পাশাপাশি অনেক এলাকায় গুদামে পানি ঢুকে পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে।
রামপুরা বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, পাবনা, ফরিদপুর ও কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ আসে।
কিন্তু কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে মোকামেই দাম বেড়ে গেছে। ফলে বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে এনে খুচরা বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে দুই সপ্তাহ আগেও ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে যেসব সবজি বিক্রি হয়েছে, এর বেশির ভাগের দাম এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা।
ঢেঁড়স ও পটোলের মতো সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন জাতভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ও কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। দেশি শসা ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি, হাইব্রিড শসা ১০০ থেকে ১২০ টাকা। টমেটোর কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। আকারভেদে লম্বা লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা।
সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। দুই সপ্তাহ আগেও ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন মানভেদে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা।
সবজি বিক্রেতাদের ভাষ্য, বৃষ্টি ও বন্যায় বিভিন্ন এলাকার সবজির ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আড়তে সরবরাহ কমেছে। এ কারণে পাইকারি বাজারে দামও বেড়েছে। সরবরাহ পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে আগামী কয়েক দিনে দাম আরো বাড়তে পারে।
মাছের বাজারেও দাম ঊর্ধ্বমুখী। পাঙ্গাশ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, রুই ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং চাষের কই মাছ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি। আকারভেদে চিংড়ির দাম ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি। বিক্রেতাদের দাবি, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।
মুরগি ও ডিমের বাজারেও একই চিত্র। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগির দাম বেড়ে ৩৩০ থেকে ৩৬০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে এখন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। তবে আলু ও রসুনের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। ডায়মন্ড জাতের আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও দেশি রসুন আকার ভেদে ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি।সূত্র: কালের কণ্ঠ
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট
সঙ্গীত একাডেমি