১৪ জুন ২০২৬

জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল’- একই সুরে অপু বিশ্বাস ও বুবলী

ব্রাজিলে মিললেন অপু-বুবলী, বিশ্বকাপে এক কাতারে দুই নায়িকা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:২১ পিএম
ব্রাজিলে মিললেন অপু-বুবলী, বিশ্বকাপে এক কাতারে দুই নায়িকা

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক : ঢালিউডের দুই আলোচিত নায়িকা অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী। ব্যক্তিগত জীবন, শাকিব খানকে ঘিরে নানা আলোচনা কিংবা পারস্পরিক দূরত্বের কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন তারা। তবে এবার কোনো বিতর্ক নয়, ফুটবল বিশ্বকাপই এক মঞ্চে নিয়ে এসেছে এই দুই তারকাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উন্মাদনায় যখন ফুটবলপ্রেমীরা নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে ব্যস্ত, তখন অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী দুজনেই প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস জানান, তিনি ব্রাজিল দলের কট্টর সমর্থক। তার ভাষায়, ব্রাজিলের খেলায় এমন এক নান্দনিকতা রয়েছে যা তাকে বরাবরই মুগ্ধ করে। তিনি মনে করেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি এক ধরনের শিল্প, আর সেই শিল্পের সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ দেখা যায় ব্রাজিলের খেলায়।

অপু বিশ্বাস আরও বলেন, অন্য দলের প্রতি তার কোনো বিরূপ মনোভাব নেই। বরং আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির ব্যক্তিত্ব ও অর্জনের প্রতিও তার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।

অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রাজিলের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন শবনম বুবলীও। ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সির একটি পোস্টার শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, “জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল।” সেই সঙ্গে ছোটবেলার ফুটবল স্মৃতি ও ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলারদের প্রতি নিজের আবেগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সাধারণত শাকিব খানকে কেন্দ্র করে অপু বিশ্বাস ও বুবলীকে দুই ভিন্ন মেরুর মানুষ হিসেবেই দেখেন ভক্তরা। কিন্তু ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে এসে সেই বিভাজন যেন মুছে গেছে। ব্রাজিলের প্রতি ভালোবাসা দুজনকেই দাঁড় করিয়েছে একই সারিতে।

এদিকে দুই নায়িকা যখন প্রকাশ্যে ব্রাজিল শিবিরে নাম লিখিয়েছেন, তখন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান কোন দলের সমর্থক - সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো রহস্যই হয়ে আছে। ফলে বিশ্বকাপের উত্তেজনার পাশাপাশি ভক্তদের কৌতূহলও বাড়ছে এই বিষয়টি ঘিরে।

 

বিপি/এসআর 

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি