
শেখ ফরিদ, দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) থেকে: উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘনকুয়াশায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশার সাথে পড়ছে শীত। শীতের কারণে মানুষজন ঘর থেকে বের হতে না পারায় কাজে যেতে পারছেনা। পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। শীতের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নিম্ন আয়ের মানুষজন দ্রুত সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সহায়তা চেয়েছেন। দেবীগঞ্জ উপজেলায় গতকাল সারা দিন সূর্য দেখা যায় নাই ।
আজ শনিবার (২৮ নভেম্বর) ভোর থেকে ঘনকুয়াশা থাকার কারণে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিভিন্ন সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলো চলাচল করছে। পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাসেল শাহ জানান, পঞ্চগড়ে কয়েকদিন থেকে তাপমাত্রা উঠা-নামা করছে। আজ শনিবার (২৮ নভেম্বর) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
এদিকে ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করায় শীত মোকাবেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এ উপজেলার মানুষ। গরম কাপড় ছাড়া কেউই ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। সকালে হালকা কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় দেবীগঞ্জের পথ-ঘাট। গাছে গাছে লতাপাতা ও ঘাসের ওপর ঝরছে শিশির বিন্দু। শিশির মারিয়ে কৃষক ছুটে যায় সবুজ ধানের ক্ষেতে। রোদের আলোয় ঘাসের ওপরে ঝরে পড়া শিশির চকচক করে ওঠে।
তবে আবহাওয়াবিদদের মতে, আশ্বিন মাসের শেষ সময়ে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এবং উত্তরীয় বায়ুর কিছুটা প্রভাব থাকায় শেষরাতে শীত নেমে আসলে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়।
বিশেষ করে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর যখন আর সক্রিয় থাকবে না তখন হালকা ধরনের শীত পড়বে৷ আর উত্তরে শীতের আমেজ তো দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় প্রকট হয়। এ জেলার শীতের মাত্রা ও অনুভূতি থাকে ভিন্নতর।
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]