দেশে এলো ফাইজারের ১০ লাখ ডোজ টিকা
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় দেশে এসেছে ফাইজার বায়োএনটেকের ১০ লাখ ডোজ করোনার টিকা। বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টিকা নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কভিড-১৯ ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক।
টিকার এ চালান গ্রহণ করতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। আর এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে মোট ৬৫ লাখ ডোজ টিকা উপহার দিলো।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে কভিড-১৯ মোকাবিলায় কেবল ৬৫ লাখ টিকাই অনুদান দেয়নি, সঙ্গে মহামারি মোকাবিলায় ৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার সহায়তাও প্রদান করেছে।
এদিকে, ডা. শামসুল হক বলেন, ফাইজারের টিকা তারা গ্রহণ করেছেন। টিকাগুলো সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কোল্ড স্টোরেজ ভবনসহ আরো কয়েকটি বেসরকারি ভবনে সংরক্ষণ করা হবে।
এর আগে, গত ৩১ মে ১ লাখ ৬০২ ডোজ ফাইজার বায়োএনটেকের টিকা দেশে পৌঁছায়। এরপর গত ২১ জুন থেকে এই টিকা দেয়া শুরু হয়।
এর আগে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছিল, ফাইজারের এই বিশেষ টিকা কেবল ঢাকাতেই সংরক্ষণ করা হবে। মাইনাস ৯০ ডিগ্রি থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এটা রাখতে হয়।
ডা. শামসুল হক তখন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, এই টিকার বড় চ্যালেঞ্জ সংরক্ষণ ব্যবস্থা। বাংলাদেশে যা অপ্রতুল। পরিবহনের জন্যও দরকার হবে থার্মাল শিপিং কনটেইনার বা আল্ট্রা ফ্রিজার ভ্যান। এ কারণেও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফাইজারের টিকা সরবরাহ করা কঠিন হবে।
উল্লেখ্য, দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতে গঠিত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের (গ্যাভি) কাছ থেকে ফাইজারের এ টিকা আসছে। প্রাণঘাতী ও সংক্রামক ব্যাধি থেকে দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জীবন রক্ষায় টিকা প্রদানে ভূমিকা রাখা গ্যাভি বিশ্বের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ৯২টি দেশকে করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। দরিদ্র দেশগুলোর টিকা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে গঠন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি