২৬ অক্টোবর ২০২৬

ধেয়ে আসছে অর্ণব: যেসব জেলায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়, সতর্কতা জারি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ এএম
ধেয়ে আসছে অর্ণব: যেসব জেলায় আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়, সতর্কতা জারি

 

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়টির বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা কম বলে আবহাওয়াবিদেরা জানিয়েছেন। ঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে


আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূলে পৌঁছানোর পর দেশের আরও কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।

কোথায় যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব?

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের কেন্দ্র ছিল পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে। এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে প্রায় ৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।


ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে সোমবার রাতের মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে এবং পরবর্তী সময়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি আগামী ২৮ অক্টোবর ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের চার সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর অঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক প্যানেলের ১৩টি সদস্যদেশ। এর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন রয়েছে।

সদস্যদেশগুলোর প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করা হয়। ‘অর্ণব’ নামটি বাংলাদেশের প্রস্তাব করা; এর অর্থ সাগর। পরবর্তী নাম ‘মুরাসু’, যা ভারতের প্রস্তাবিত।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের মূল উদ্দেশ্য হলো পূর্বাভাস, সতর্কবার্তা ও জনসাধারণের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া সহজ করা। একই সময়ে একাধিক ঘূর্ণিঝড় সক্রিয় থাকলে নামের মাধ্যমে সেগুলো আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়।

 

বিপি/কেজে
 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি