৪ এপ্রিল ২০২৬

দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ কমিটি করায় লুটপাটের মহামারি হতে যাচ্ছে : রিজভী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ কমিটি করায় লুটপাটের মহামারি হতে যাচ্ছে : রিজভী

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় লুটপাটের মহামারি শুরু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, ‘স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে দলীয় লোক দিয়ে ত্রাণ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার মানে এই তালিকায় কেবল আওয়ামী লীগ করা লোকজনের ঠাঁই হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা মনে করি, ত্রাণ কার্যক্রমে দলীয় কমিটির কারণে চাল চুরি আরও বৃদ্ধি পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দলীয় তালিকা করে দলের লোকজন খাবে আর অন্যরা না খেয়ে মরবে। ধরেই নেওয়া যায়, লুটপাটের মহামারি শুরু হতে যাচ্ছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের লোক দিয়ে ত্রাণ তালিকা করার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।’

রিজভী বলেন, বিশ্বের ভয়াবহ সংক্রমিত দেশগুলোতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু দ্বিগুণ হয়েছে ১৫-২০ দিনে। আর বাংলাদেশে তা হচ্ছে মাত্র চার দিনে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মেডিক্যাল সরঞ্জামের বিষয়ে কেউ যেন কথা বলতে না পারে সেজন্য গতকাল সরকার কঠোর পরিপত্র জারি করেছে। সরকার তাদের ব্যর্থতা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়ে দমনের নীতিকেই কার্যকর করছে।’

জনগণের জীবন নিয়ে জুয়া খেলার আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘১৬ এপ্রিল সারাদেশকে সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছে সরকার। ‘সারাদেশ করোনাভাইরাস সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ’ এটি বুঝতে সরকারের কেন এত দেরি হলো? মানুষ বাঁচাতে হলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রতিনিয়ত মাঠে থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন নেতাদের তো জনগণের পাশে দাঁড়াতে দেখছি না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তো কোনো হাসপাতাল পরিদর্শনে যাচ্ছেন না।’

তিনি বলেন, ‘দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে প্রায় দেড় মাস আগে। এর মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসায় একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়নি। রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতাল প্রস্তুতির যেসব পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেখানেও যথেষ্ট ঘাটতি আছে। বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিবর্তে নির্বাচন করা হয়েছে আউটডোর ক্লিনিক। সেখানে অক্সিজেনের সুবিধা পর্যন্ত নেই, নেই অপারেশন থিয়েটার।’

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি