দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। বর্তমানে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) এবং এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত টার্মিনাল থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
ফলে দুই টার্মিনাল মিলিয়ে দৈনিক প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে উভয় টার্মিনালের মেরামত ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন হলে স্বাভাবিক সরবরাহে ফিরবে এলএনজি। তখন দুই টার্মিনাল থেকে সম্মিলিতভাবে দৈনিক প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বেগে বাতাসের কারণে সামিট এলএনজি টার্মিনালের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ গত ১০ আগস্ট সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে যায়।
এতে সামিটের টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। পরবর্তীতে গত ১৪ আগস্ট নতুন একটি এলএনজি বহনকারী জাহাজ টার্মিনালে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে আজ শনিবার ভোর ৪টা থেকে সামিট টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।পর্যায়ক্রমে এ সরবরাহ স্বাভাবিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে।
অন্যদিকে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ত্রুটির আংশিক মেরামত শেষে বর্তমানে টার্মিনালটি থেকে দৈনিক গড়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৯ আগস্টের মধ্যে মেরামতকাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কাজ শেষ হলে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে। স্বাভাবিক সময়ে সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনাজির্র টার্মিনাল থেকে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। অর্থাত্ দুই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গড়ে প্রায় ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়।
বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকে ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হওয়ায় স্বাভাবিক সরবরাহের তুলনায় ঘাটতি রয়েছে প্রায় ৩৪০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে ১৯ আগস্টের মধ্যে উভয় টার্মিনাল পুরো সক্ষমতায় ফিরলে এই ঘাটতি কাটিয়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি