১৬ এপ্রিল ২০২৬

এসএসসি পরীক্ষায় ফিরল ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
এসএসসি পরীক্ষায় ফিরল ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ এর ব্যবস্থা কার্যকর থাকছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে না ধরে পরীক্ষার হলে নিয়মের ব্যত্যয় (যেমন: কথা বলা, ঘাড় ঘোরানো, দেখাদেখি) বা অসদুপায় অবলম্বনের কারণে দায়িত্বরত পরিদর্শকের মাধ্যমে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা ‘নীরব বহিষ্কার’ করা হয়। এতে পরীক্ষার্থী তাৎক্ষণিক বুঝতে পারেন না যে, তিনি বহিষ্কৃত হয়েছেন কিন্তু পরবর্তীতে পরীক্ষার খাতা বাতিল করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থীকে অসদুপায় অবলম্বন অথবা অন্য কোনো কারণে বহিষ্কার অথবা নীরব বহিষ্কার করা হলে তার সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠায় প্রথম অংশ না ছিঁড়ে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনসহ বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত গোপনীয় ফরমে সঠিকভাবে প্রস্তুত করে বিষয় ও পত্রের পরীক্ষা শেষ হবার সাথে সাথে উক্ত পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করে, প্যাকেটের ওপরে লাল কালি দ্বারা স্পষ্টাক্ষরে রিপোর্টেড লিখে কেন্দ্রের অন্যান্য উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।
এতে আরও বলা হয়, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নীরব বহিষ্কারের কারণ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকতে হবে। নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদেরকে সঙ্গত কারণেই পরবর্তী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিতে হবে। তবে পরবর্তী বিষয়ের পরীক্ষায় সে অসদুপায় অবলম্বন না করলেও তার পরবর্তী সকল বিষয়ের সৃজনশীল উত্তরপত্র (কভার পৃষ্ঠার ১ম অংশ না ছিঁড়ে) ও নৈর্ব্যক্তিক উত্তরপত্র প্রত্যেক বিষয় ও পত্রের সাথে নীরব বহিষ্কারের বিষয়, পত্র ও কারণ উল্লেখপূর্বক প্রতিবেদনসহ আলাদা প্যাকেটে কেন্দ্রের উত্তরপত্রের বাক্সে/বস্তায় পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে জমা দিতে হবে।  

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নীতিমালাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি