২৪ জুলাই ২০২৬

আগস্টে চুক্তি

এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

ফাইল ছবি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হচ্ছে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ। আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চূড়ান্ত ক্রয়চুক্তি সই করবে সরকার। নতুন উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে ধাপে ধাপে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হবে। 

এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো জাতীয় এয়ারলাইন্সটি পূর্ণাঙ্গ মিশ্র বহর (মিক্সড ফ্লিট) বা বোয়িং ও এয়ারবাস—দুই নির্মাতার উড়োজাহাজ নিয়ে পরিচালিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিশ্র বহর পরিচালনার সুবিধা থাকলেও একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ও বাড়তে পারে। তাই চুক্তির আগে পূর্ণাঙ্গ কস্ট-বেনিফিট বিশ্লেষণ করা অপরিহার্য।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম যুগান্তরকে বলেন, মিশ্র বহর পরিচালনার সুবিধা রয়েছে। তবে এর জন্য আলাদা পাইলট প্রশিক্ষণ, প্রকৌশলী, যন্ত্রাংশের মজুত এবং রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামোর প্রয়োজন হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তটি অর্থনৈতিকভাবে যৌক্তিক কিনা এবং পুরো প্রক্রিয়াটি কতটা স্বচ্ছ। বিমানের রুট, যাত্রী চাহিদা, পরিচালন ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই উড়োজাহাজ নির্বাচন করতে হবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) যুগান্তরকে বলেন, আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিমানকে ধীরে ধীরে মিশ্র বহরে রূপান্তর করার। এতে ভবিষ্যতে উড়োজাহাজ সংগ্রহে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং একটি মাত্র নির্মাতার ওপর নির্ভরশীলতা কমবে। তিনি বলেন, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি হবে। দামসহ অন্যান্য বিষয় চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর জানানো হবে। দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখেই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

সূত্রমতে, বাংলাদেশের কাছে উড়োজাহাজ বিক্রি নিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই প্রতিযোগিতায় নেমেছে বিশ্বের দুই বৃহৎ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান,বোয়িং ও এয়ারবাস। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্যিক সমঝোতার অংশ হিসেবে বিএনপি সরকারের সময় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশে তৎপরতা বাড়ায় এয়ারবাস। এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, এয়ারবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর ১০টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বহরের আকার বেড়ে ২৯টিতে দাঁড়াবে, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। বিমানের এই বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা পৃথকভাবে নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার প্রস্তাবিত ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তির সরাসরি সম্পর্ক নেই। ওই উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে সরবরাহ পাওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট


সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি