১৮ জুলাই ২০২৬

ফাইনালের আগে সেই ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
ফাইনালের আগে সেই ছবি নিয়ে মুখ খুললেন মেসি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালের ঠিক আগ মুহূর্তে স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিন ইয়ামালের সঙ্গে নিজের সেই বিখ্যাত ভাইরাল ছবি নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। 

২০০৭ সালে বার্সেলোনার স্টেডিয়ামে স্থানীয় সংবাদপত্র ‘স্পোর্ট’ এবং ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ছবিটি তোলা হয়েছিল, যেখানে দেখা যায় তরুণ মেসি শিশু ইয়ামালকে গোসল করাচ্ছেন। প্রায় ১৮ বছর পর, সেই দুই তারকা এবার মুখোমুখি হচ্ছেন বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণ—স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কে ফিফার ‘ফ্যানাটিকস ফেস্ট’-এ অংশ নিয়ে মেসি বলেন, ‘ওই ছবিটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ও যখন একদম ছোট শিশু, তখন আমি ওর সঙ্গে ছবিটা তুলেছিলাম... আর আজকে আমরা দুজনেই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলছি, এটা ভাবাই যায় না।’ 

ইয়ামালের বর্তমান ফর্মের প্রশংসা করে মেসি আরও যোগ করেন, ‘সে এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। আমি তার সাফল্য কামনা করি। কারণ তার সাফল্য মানেই বার্সেলোনার সাফল্য। তবে (ফাইনালে) আমরা চেষ্টা করব সে যেন নিজের সেরাটা দিতে না পারে। স্পেনের দলটা দারুণ, শুধু লামিন একাই নয়। তবে আমাদেরও নিজস্ব শক্তি ও অস্ত্র রয়েছে।’ 

১৯ বছর বয়সি ইয়ামালকে এক ‘বৈশ্বিক তারকা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে মেসি বলেন, ‘তার সামনে পুরো ক্যারিয়ার পড়ে আছে। আমি তার জন্য শুভকামনা জানাই। তবে এবার সে যেন চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে, তার জন্য আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ব।’ 

এদিকে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের মতোই এই ছবি দেখে চমকে উঠেছেন ইয়ামালের স্প্যানিশ সতীর্থ মিকেল মেরিনো। নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘প্রথম যখন ছবিটা দেখি, আমার মনে হয়েছিল এটা বোধহয় এআই দিয়ে তৈরি, মোটেও বাস্তব নয়। 

ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুজন খেলোয়াড়ের—এবং আশা করি ভবিষ্যৎ সেরা হিসেবে ইয়ামালের—এমন একটি ছবি থাকা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আশা করি এই দুই তারকাকে নিয়ে আমরা একটি দারুণ এবং উপভোগ্য ফাইনাল দেখতে পাব।’ সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি