৪ আগস্ট ২০২৬

ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ‎হট ফেভারিট তকমা নিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেছিল ফ্রান্স-স্পেন। প্রথম সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে পাত্তাই পেলো না এমবাপ্পে-ডেম্বেলেরা। ফরাসিদের ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্প্যানিশরা। 
এতে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো স্পেন। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল তারা। সেবার নেদারল্যান্ডসকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল স্প্যানিশরা। আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি এখন লামিনে ইয়ামালদের সামনে। 
এই ফাউলেই পেনাল্টি পেয়েছে স্পেন

ম্যাচের শুরু থেকে একে অপরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে খেলার চেষ্টা করে। ১০ মিনিটের মাথায় ফ্রান্সের বক্সের কাছাকাছি জায়গায় ফ্রি–কিক পেয়েছে স্পেন। তবে ফ্রি–কিকটি কাজে লাগাতে পারেনি। 
এরপর ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় ফ্রান্সের বক্সের ভেতর লামিনে ইয়ামাল ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। 
৩৬ মিনিটে ফ্রান্সকে আরেকবার কাঁপিয়ে দেয় স্পেন। দূরপাল্লার একটি ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেন বায়েনা। মাইগনান তাকে রুখে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড শট নিতেই অফসাইডের বাঁশি বাজে। 
পরের মিনিটে স্পেনের বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বারকোলার ডানপায়ের বাঁকানো শট গোলবারের অনেক উপর দিয়ে যায়। এতে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে ফ্রান্স। 
বিরতি থেকে ফিরে আবারও গোলের দেখা পায় স্পেন। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে ফ্রান্সের জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো।
৬৮ মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে নেওয়া এমবাপ্পের শট কুকুরেয়া ব্লক করেন। ৮০ মিনিটে আরেকটি গোলের বেশ কাছে ছিল স্পেন। ওয়ারসাবালের বদলি নামার কয়েক মিনিট পরই ফেরান তোরেসের একটি হেড গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।
শেষ ১০ মিনিটে ফ্রান্স মুহুর্মুহু আক্রমণ চালান। কিন্তু গোলকিপার সিমন ও ডিফেন্ডার কুকুরেয়ার বাধায় সফল হয়নি তারা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

 বিপি/টিআই

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি