৪ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুর চিনিকলে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষোভ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ফরিদপুর চিনিকলে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষোভ

ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলাতে অবস্থিত শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন ফরিদপুর চিনিকলের ৮ শতাধিক শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা গত তিন মাস যাবত বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে। ৬ মে বুধবার সকাল ৯টার দিকে ফরিদপুর চিনিকলের প্রধান ফটকের সামনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ঘন্টা ব্যাপী তারা এ কমসূচী পালন করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি দেয়া হয়।

এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শ্রমজীবী ইউনিয়নের সভাপতি শাহ্; মো. হারুন অর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক কাজল বসু, আখচাষী কল্যাণ সংস্তার সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, শ্রমজীবি ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক মো. আব্দুল বারিক বিশ্বাস প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, ফরিদপুর চিনিকলে আখচাষীদের আখের মূল্য বাবদ প্রায় ৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

এছাড়া স্থায়ী, মৌসুমী ও দৈনিক ভিত্তিতে (ম্যান-ডে) মজুরী কমিশনের কর্মরতদের বেতন-ভাতা বাবদ প্রায় ৯ কোটি টাকা এবং অবসরপ্রাপ্তদের গ্র্যাচুইটি বাবদ প্রায় ১৮ কোটিসহ মোট ৩১ কোটি টাকা বকেয়া পাওনা রয়েছে। তারা বলেন, দেশের ১৫টি চিনিকলে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ জড়িত। বেতনভাতা ও পাওনা না পেয়ে চরম আর্থিক সংকটে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। বর্তমানে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে তাদের মাঝে এখন চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তফা মনোয়ার জানান, শ্রমজীবী ইউনিয়নের স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি