ফরিদপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো চার জনে
ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা: ফরিদপুরে করোনা রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার জনে। এর ভিতর একই পরিবারের স্ত্রী শনাক্ত হয়েছে নগরকান্দায়। অপরজনের বাড়ি বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের চন্দনী গ্রামে । এ উপজেলায় এই প্রথম কোন করোনা ভাইরাস রোগি শনাক্তের ঘটনা ঘটলো।
শুক্রবার (১৭.০৪.২০) রাত ১০ টায় নমুনা পজেটিভ হওয়ার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন রাতেই তার বাড়িটি লকডাউন করেছে। পাশের তিনটি বাড়ির লোকজনদের হোম কোয়ারেন্টাইন পালনের নির্দেশ দেয়া হয়। বাকি তিন জনের বাড়ি নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গি ইউনিয়নে। নতুন করে আক্রান্ত দুইজন হলেন, নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গি ইউনিয়নের ডাঙ্গি গ্রামের স্বামী (যিনি আগেই শনাক্ত হন) ও তার স্ত্রী। অন্যজনের বাড়ি বোয়ালমারীতে। তিনি নগরকান্দা শ্বশুড় বাড়ি বেড়াতে এসে আক্তান্ত হয়েছে বলে জানাগেছে বিভিন্ন সূত্রে।
গত ১৩ এপ্রিল নগরকান্দায় প্রথম করোনা পজিটিভ ধরা পরে। ওইদিন রাতেই নগরকান্দা উপজেলা লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন। আক্রান্ত বাবাকে ঢাকায় পাঠানো হয় ১৪ এপ্রিল। আর স্ত্রীকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হবে ১৮ এপ্রিল। এছাড়া অপর আক্রান্ত বোয়ালমারীর শনাক্তের রোগি বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। সেখান থেকেই তার নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো।
এবিষয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. ছিদ্দিকুর রহমান জানান, আমরা কিছু নমুনা ঢাকায় পাঠায় এদের মধ্যে ঢাকা থেকে পাওয়া রিপোর্টে দুজনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে শুক্রবার রাতে। তিনি বলেন এ পর্যন্ত ফরিদপুরে ১২৪ জন সন্দেহভাজনের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ৮৩ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে চারজন করোনা রোগি শনাক্ত হয়েছে জেলায়। এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায় গত ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ১৭ জনকে। ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১২ জন। এ যাবৎ কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ১৯৪১ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৭০৬ জন। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ২৩৫জন।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি