ফরিদপুরে মসজিদের ইমামসহ আরও তিনজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত
ফরিদপুর থেকে সংবাদদাতা : ফরিদপুরে মসজিদের ইমাম, টেইলরসহ আরও তিনজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে স্থাপিত করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব সুত্রে ০৪ মে সোমবার বিকেলে এ তথ্য জানা গেছে।
এ নিয়ে ফরিদপুর জেলায় এ পর্যন্ত ১৮ জন করোনা রোগী সনাক্ত হলো। ফরিদপুরে মসজিদের যে ইমামের করোনাভাইরাস সনাক্ত হয়েছে তিনি বোয়ালমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালিয়ান্ড গ্রামের বাসিন্দা। তার বয়স ২৬। তিনি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার একটি মসজিদে ইমামতি করেন। গত রবিবার তিনি মাদারীপুর থেকে ফরিদপুরে আসেন এবং করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যান এবং ৪ মে সোমবার তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বোয়ালমারী উপজেলা প্রশাসন করোনা আক্রান্তের বাড়ি লকডাউন করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঝোটন চন্দ জানান, আক্রান্তের শারীরিক অবস্থা ভালো থাকায় তাকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। করোনা সনাক্ত হয়েছে ফরিদপুর সদরের কৈজুরি ইউনিয়নের একটি গ্রামের ১৮ বছরের এক তরুণীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। ওই তরুনী গাজীপুরের কালিগঞ্জে একটি টেইলস এর দোকানে কাজ করেন। তিনি গত রবিবার গাজীপুর থেকে ফরিদপুর এসে করোনা শনাক্ত করণের নমুনা দেন। করোনা শনাক্ত হয়েছে ফরিদপুর সদরের গেরদা ইউনিয়নের একটি গ্রামের ২৯ বছর বয়সী এক যুবকের। তিনি মুন্সীগঞ্জে একটি ওষুধ কোম্পানীতে ফার্মাাসিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। গত ১ মে তিনি বাড়িতে ফিরে আসেন। সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান জানান, ওই তিনটি বাড়িসহ আশেপাশের কয়েকটি বাড়ি বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ফরিদপুর জেলা লক ডাউন করা হবে কিনা এ নিয়ে এখনও চিন্তা ভাবনা করা হয়নি।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন মো. ছিদ্দীকুর রহমান বলেন, ফরিদপুরে আজ সোমবার নতুন করে তিনজন শনাক্ত হওয়ায় জেলা এ পর্যন্ত মোট ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হলো। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। প্রসঙ্গত আজ সোমবার ফরিদপুরের ল্যাবে মোট ৮৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদপুরের ৪৮ ও গোপালগঞ্জের ৪১। এতে ফরিদপুরে তিনজনের করোনা শনাক্ত হলেও গোপালগঞ্জের কারও করোনা শনাক্ত হয়নি।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি