২৭ জুন ২০২৬

ইসরাইল-লেবানন চুক্তির খসড়া প্রকাশ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ০১:৪২ পিএম
ইসরাইল-লেবানন চুক্তির খসড়া প্রকাশ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর সম্প্রতি ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফার একটি সমঝোতা চুক্তির খসড়া প্রকাশ করেছে। ওয়াশিংটন ডিসিতে হওয়া এই চুক্তির মূল বিষয়গুলো হলো:

১. নিরাপত্তা ও অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ

সেনাবাহিনীর দায়িত্ব: লেবাননের সেনাবাহিনী প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত দুটি 'পাইলট জোন' বা পরীক্ষামূলক অঞ্চলে ধাপে ধাপে পূর্ণ নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব নেবে। তবে কৌশলগত কারণে অঞ্চল দুটির নাম এখনো গোপন রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে দুই দেশের সম্মতিতে আরও অঞ্চল এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ: লেবানন সরকার দেশে শক্তির ব্যবহারের ওপর রাষ্ট্রের একক কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহসহ সব অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ নিশ্চিত করা হবে।

২. ইসরাইলের অবস্থান ও প্রতিশ্রুতি

সামরিক অভিযান বন্ধের শর্ত: ইসরাইল জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হুমকির অবসান ঘটলে লেবাননে তাদের নতুন করে সামরিক অভিযান বা উপস্থিতির কোনো প্রয়োজন থাকবে না।

ভূখণ্ডগত দাবি: ইসরাইল স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছে যে লেবাননের কোনো অঞ্চলের প্রতি তাদের কোনো আঞ্চলিক বা ভূখণ্ডগত লোভ নেই।

৩. পুনর্গঠন ও যৌথ শান্তি চুক্তি

আন্তর্জাতিক সহায়তা: লেবানন পুনর্গঠনের কাজে সহযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্র তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নেবে।

যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ: দুই দেশের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করতে ইসরাইল ও লেবানন যৌথভাবে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করবে।

৪. যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ আর্থিক সহায়তা : সহিংসতার চক্র ভেঙে শান্তি ফেরাতে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর পৃথক বিবৃতিতে বড় অঙ্কের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে:

মানবিক সহায়তা: জাতিসংঘের সাথে সমন্বয় করে লেবাননে জরুরি ভিত্তিতে ১০ কোটি ডলার মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে।

সামরিক অনুদান: লেবাননের সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর তাদের বিদ্যমান তহবিল থেকে ৩ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ প্রদান করবে।
বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি