২৭ মে ২০২৬

কুরবানির গোশত ফ্রিজে সংরক্ষণের সহজ নিয়ম

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম
কুরবানির গোশত ফ্রিজে সংরক্ষণের সহজ নিয়ম

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   কাল বাদে পরশু পবিত্র ঈদুল আজহা। দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য আনন্দের এবং ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপনের দিন। আর্থিকভাবে সাবলম্বীদের জন্য কুরবানি করা ওয়াজিব। গুরুত্বপূর্ণ এই ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ নৈকট্য লাভ করা যায়। 

কুরবানির গোশত তিন ভাগ করা সুন্নত। এক ভাগ নিজের ও পরিবারের জন্য। আরেক ভাগ আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের জন্য। আর তৃতীয় ভাগ হলো গরিব-অসহায় ও দুস্থদের জন্য।

কুরবানি সময় অনেক গোশত দেখে অনেকে বিচলিত হয়ে পড়েন। সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে এটা  কোনো সমস্যাই না। ফ্রিজে সংরক্ষণের নিয়ম জানা থাকলে গোশতের স্বাদ, পুষ্টিগুণ নষ্ট হবে না। এজন্য ফ্রিজ পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা এবং কুরবানির গোশত দীর্ঘদিন ভালো রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও শরিয়তসম্মত নিয়ম জেনে নেই।

কিছু জরুরি ধাপ অনুসরণ করতে হবে

পানি ঝরানো: গোশত সংগ্রহের পর ধুয়ে সম্পূর্ণ পানি ঝরিয়ে তারপর রাখতে হবে।

খোলা অবস্থায় না রাখা: ভেজা বা রক্তসহ গোশথ খোলা অবস্থায় ফ্রিজে রাখা একেবারেই নিরাপদ নয়। গোশত রাখার জন্য ফুড-গ্রেড পলিথিন বা ঢাকনাযুক্ত কন্টেইনার ব্যবহার করতে হবে।

ছোট ছোট অংশে বা ‘ফ্যামিলি প্যাক’ তৈরি  অনেকে বড় প্লাস্টিকের ব্যাগে এক গাদা গোশত একসঙ্গে ফ্রিজে রেখে দেন, যা অত্যন্ত ভুল পদ্ধতি।

একবারের অংশ আলাদা করা: গোশত সবসময় ছোট ছোট ভাগে বা ‘ফ্যামিলি প্যাক’আকারে সংরক্ষণ করা সবচেয়ে কার্যকর।

পুনরায় ফ্রিজিং না করা: ফ্রিজ থেকে একবার গোশত বের করে বরফ গলানোর পর, তা রান্না না করে পুনরায় আবার ফ্রিজে রেখে দিলে গোশতের মান ও পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। 

অন্য খাবার থেকে দূরত্ব বজায় রাখা

ফ্রিজের নরমাল বা ডিপ উভয় অংশে কুরবানির কাঁচা গোশথ রাখার সময় সেটিকে আগে থেকে রান্না করা খাবার, ফলমূল বা মিষ্টি জাতীয় জিনিস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখুন।

ডিপ ফ্রিজে গোশত কতদিন ভালো থাকে

সঠিক উপায়ে ডিপ ফ্রিজের মাইনাস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হলে কুরবানির গরুর গোশত সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভালো ও খাওয়ার উপযোগী থাকে। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

FIRDAUS FASHIONS


FIRDAUS FASHIONS

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি