১১ জুন ২০২৬

লাইসেন্স বাতিল: আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ পিএম
লাইসেন্স বাতিল: আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। লাইসেন্স বাতিল ঘোষণার পরই হাসপাতাল ঘিরে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালের প্রতিটি ফটকে বিপুলসংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়।


এর আগে বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হওয়ার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আদেশে বলা হয়, গত ২৭ মে হাসপাতালে এক ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত এক তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ওয়ার্ডে অক্সিজেন স্বল্পতা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে এ মৃত্যুর কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন বাতিল হাবে না, এ মর্মে একটি শোকজ নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

নোটিশের জবাব দিতে তাদের ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হলেও আরো ৪৮ ঘণ্টার সময় চেয়ে আবেদন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে গত ৯ জুন শোকজ নোটিশের লিখিত জবাব দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সে জবাববে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক না হওয়ায় ১৯৮২ এর ১১(২)(খ) ধারা অনুযায়ী আপনার হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।


তবে অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আদেশে।

এদিকে লাইসেন্স বাতিলের বিরুদ্ধে আগামী রোববার সরকারের কাছে আপিল করবে বলে জানিয়েছেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির।


এর আগে গত ২৭ মে সকালে হাসপাতালটির পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের মৃত্যু হয়। যাদের প্রত্যেকের বয়স ছিল এক থেকে চার দিনের মধ্যে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি