২৮ অক্টোবর ২০২৬

মানিক পশারীকে নিয়ে মুখ খুললেন দুই মুক্তিযোদ্ধা, সামনে এলো নতুন তথ্য

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪১ পিএম
মানিক পশারীকে নিয়ে মুখ খুললেন দুই মুক্তিযোদ্ধা, সামনে এলো নতুন তথ্য

সংগৃহীত ছবি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মামলার বাদী মানিক পশারীকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেছেন পিরোজপুরের দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের অভিযোগ, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছিল। 

গত ২৪ অক্টোবর মানিকের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া ও দাফন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে তাকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা দাবি করার পর এ বিষয়ে মুখ খুললেন এই দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা। পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বাতেন বলেন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে মানিক পশারীকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়েছে। সাঈদী সাহেব কখনো রাজাকার ছিলেন না। ১৯৭১ সালে মানুষ তাকে চিনত না। তিনি পিরোজপুরেও ছিলেন না। সাঈদী সাহেব একজন ভালো বয়ানকারী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ছিলেন।তিনি আরও বলেন, যেহেতু মানিক পশারী সরকারি গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা, সে কারণে পুলিশ প্রশাসন তাকে গার্ড অব অনার দিতে বাধ্য হয়েছে। সাঈদী সাহেবের বিপক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে তৎকালীন সরকার পুরস্কার হিসেবে তাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে। সাঈদীর অনুসারীরা বাধা দিয়েছিল। আমরাও জানি, তিনি একজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা।আরেক বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা জহিরুল হক বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। সেখানে চাপে হোক বা যেভাবেই হোক, মানিক পশারী সাঈদীর বিপক্ষে মিথ্যা সাক্ষ্য দেন। এরপর তাকে মুক্তিযোদ্ধা বানানো হয়। পরে আর যাচাই-বাছাই হয়নি। তিনি আরও বলেন, তার মৃত্যুর পর সরকারি নিয়মে তাকে গার্ড অব অনার দেবে, কারণ তিনি এখনো গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। কিন্তু সেখানে গার্ড অব অনার দিতে জামায়াত বাধা দেয়। গত ২৪ অক্টোবর সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মেয়ের জামাতার বাড়িতে ৮৭ বছর বয়সি মানিক পশারীর মৃত্যু হয়। দুপুরে তার মরদেহ পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে আনা হয়। পরে গার্ড অব অনার ও দাফন নিয়ে জটিলতার মধ্যে বিকালে পুলিশ লাইনসে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাত একটার দিকে মরদেহ নিজ বাড়িতে নেওয়া হয় এবং রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে দাফন সম্পন্ন হয়।


বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি