মিতু হত্যা মামলায় স্বীকারোক্তি অস্ত্র সরবরাহকারী ভোলার
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডে মামলার আসামি ‘অস্ত্র সরবরাহকারী’ এহেতাশামুল হক ভোলা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে শুক্রবার তাকে বেনাপোল থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
তিনি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টার করছিলেন বলে জানিয়েছে পিবিআই। শনিবার বিকেলে, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে এই জবানবন্দি দেয় ভোলা।
আদালতের পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর মিতু হত্যা মামলার আসামি ভোলা চার সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জামিনের মেয়াদ শেষে আসামিকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেয়া হয়।
পরে গত ১১ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর কর আদালত। পরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন অতিরিক্ত উপকমিশনার বাবুলের স্ত্রী মিতু।
সেই ঘটনায় বাবুল মামলা করলে ওই বছরের ২৮ জুন গ্রেপ্তার করা হয় বাবুলের ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচিত ভোলা। মিতু হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম তার জবানবন্দিতে ‘হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি ভোলা সরবরাহ করেছিল’ বলে জানিয়েছিল।
এরপরই পুলিশ বাকলিয়া এলাকা থেকে ভোলা ও তার সহযোগী মনিরকে পয়েন্ট ৩২ বোরের একটি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা পিস্তলটি মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয় বলে দাবি পুলিশের।
এ ঘটনায় পুলিশ ভোলা ও মনিরকে আসামি করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা করে এবং ভোলাকে মিতু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। প্রায় সাড়ে তিন বছর কারাভোগের পর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জামিনে মুক্তি পান ভোলা।
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি