৪ জুন ২০২৬

নিউ ইয়র্কে কাঁচির আঘাতে হত্যা: অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
নিউ ইয়র্কে কাঁচির আঘাতে হত্যা: অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিউ ইয়র্কে ইয়াং ঝ্যাংকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মিনারা হেলেন: নিউ ইয়র্কে ইয়াং ঝ্যাং নামের এক ব্যক্তিকে ইয়াত মিং ওংকে হত্যার দায়ে ১৮ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালের মে মাসে ফ্লাশিংয়ের একটি অ্যাপার্টমেন্টে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা কাটজ দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।  
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ক্যাটজ বলেন, ইয়াং ঝ্যাং গভীর রাতে এক দম্পতির বাড়িতে ঢুকে তাদের আতঙ্কিত করে। তিনি ৪১ বছর বয়সী ইয়াত মিং ওংকে একটি কাঁচি দিয়ে ১০০টিরও বেশি আঘাত করে হত্যা করেন। এটি ছিল অত্যন্ত নৃশংস ও বিনা উসকানির সহিংসতা। আমরা আশা করি আজকের সাজা ভুক্তভোগীর পরিবারকে কিছুটা হলেও সান্ত্বনা দেবে।
ফ্লাশিংয়ের বাসিন্দা ৩৯ বছর বয়সী ইয়াং ঝ্যাং গত ১৩ মে দ্বিতীয় ডিগ্রির হত্যার অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ইরা মারগুলিস তাকে ১৮ বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
তদন্ত অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২২ মে রাত প্রায় ২টার দিকে ঝ্যাং ফ্লাশিংয়ের ৫৭তম রোডের একটি ভবনের তৃতীয় তলার বারান্দায় উঠে একটি অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। তখন ইয়াত মিং ওং তার স্ত্রীর পাশে ঘুমিয়ে ছিলেন।
ওং অনুপ্রবেশকারীকে বাধা দিতে গেলে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এ সময় ঝ্যাং একটি কাঁচি দিয়ে ওংয়ের পা, ঘাড়, হাত ও মাথায় বারবার আঘাত করেন। ওংয়ের স্ত্রী কোনো আঘাত ছাড়াই পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
তদন্তকারীরা জানান, ইয়াত মিং ওংয়ের শরীরে ১০০টিরও বেশি পৃথক ছুরিকাঘাত ও কাটার চিহ্ন পাওয়া যায়, যা তার মৃত্যুর কারণ হয়।
প্রসিকিউটরদের মতে, হত্যাকাণ্ডের আগের দিনও ঝ্যাং ফ্লাশিংয়ের হেইট স্ট্রিটের একটি বাড়িতে চুরি করেছিলেন। তিনি ভবনে উঠে তৃতীয় তলার একটি অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। তবে সে সময় বাসায় কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
মামলাটি কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসের হোমিসাইড ব্যুরো পরিচালনা করে।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি