২৬ এপ্রিল ২০২৬

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সিরিজের প্রথম ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত সিরিজ জয়ের আনন্দে ভাসল মেহেদী হাসান মিরাজের দল। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিল স্বাগতিকরা। 

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে চট্টগ্রামের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে শুরুতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৩২ রানের মধ্যে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। সেই কঠিন সময়ে দলের হাল ধরেন লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের সাবলীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায়। লিটন দাস ব্যক্তিগত ৭৬ রান করে ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন শান্ত। নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক তুলে নিয়ে শান্ত থামেন ১০৫ রানে। তার ১১৯ বলের অনবদ্য ইনিংসটি ছিল ৯টি চার ও দুটি ছক্কার মার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। 

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ড শুরুতেই মোস্তাফিজুর রহমানের তোপের মুখে পড়ে। ইনিংসের শুরুতেই ৪ রান করা হেনরি নিকোলাসকে ফিরিয়ে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ। এরপর উইল ইয়ং এবং কেলি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ড আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। একপ্রান্ত আগলে রেখে কেলি লড়াই চালিয়ে গেলেও মোস্তাফিজের বলে ৫৯ রানে ফিরলে কিউইদের জয়ের আশা অনেকটা শেষ হয়ে যায়। 

 

এরপরেই শুরু হয় মোস্তাফিজের বোলিং জাদু। একে একে কিউইদের টপ ও লোয়ার অর্ডার সাজঘরে ফেরাতে থাকেন তিনি। মোহাম্মদ আব্বাস, জায়ডেন নেনস্ক এবং ও'রুর্ককে ফিরিয়ে মোস্তাফিজ তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠবার পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়েন। শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফট একা লড়াই চালিয়ে যান। তবে শেষ পর্যন্ত ৪৪ ওভার ৫ বলে ২১০ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। 

 

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি