১৬ জুন ২০২৬

পল্লী মাতৃকেন্দ্রকে কার্যকর ও স্বাবলম্বী করতে উপকরণ বিতরণ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১১:০১ পিএম
পল্লী মাতৃকেন্দ্রকে কার্যকর ও স্বাবলম্বী করতে উপকরণ বিতরণ

 


নোয়াখালী প্রতিনিধি: প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়ন, কর্মমুখী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে নোয়াখালী সদরে ‘মর্যাদার সাথে সহনশীলতা’ শীর্ষক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালা শেষে সদস্যদের মাঝে উপকরণ বিভিন্ন বিতরণ করা হয়।

তৃণমূল পর্যায়ে পল্লী মাতৃকেন্দ্রগুলোকে (আরএমসি) আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুন) জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক জেড. এম. মিজানুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান ও মোহাম্মদ আবুল কাশেম, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের নোয়াখালী প্রতিনিধি সাদিয়া সামরিন হৃদি এবং প্রান-এর কর্মকর্তাবৃন্দ।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় উন্নয়ন সংগঠন পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (প্রান) এবং অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় নোয়াখালী সদর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালিত ১০টি পল্লী মাতৃকেন্দ্রের ১০০ জন নারী সদস্য এবং জেলা ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কর্মশালায় নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসময় জানানো হয়, পারিবারিক, সামাজিক বা জেন্ডারভিত্তিক বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট মানসিক ও মনোসামাজিক সমস্যা নিরসনে প্রান-এর নারী নেতৃত্বাধীন কমিউনিটি সেন্টার (WLCC)-তে বিনা মূল্যে মানসিক ও মনোসামাজিক সহায়তা সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। যেকোনো মানসিক সংকটে নারীদের বিনা দ্বিধায় এই সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

কর্মশালা শেষে নোয়াখালী সদর উপজেলার ১০টি আরএমসির সেন্টারের সভানেত্রীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হোয়াইটবোর্ড, বিছানা, রেজিস্টার খাতা, হাতপাখা, গামছা ও সচেতনতামূলক ও লিফলেট ও প্রয়োজনীয় স্টেশনারি সামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি