৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রথমবার দলের গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:০৫ এএম
প্রথমবার দলের গুলশান কার্যালয়ে তারেক রহমান

 


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে দেশে ফেরার পর তৃতীয় দিনের মাথায় দলের গুলশান কার্যালয়ে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর দুপুর ১টা ৪২ মিনিটে তিনি সেখানে পৌঁছান।

কার্যালয়ে তাকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ নেতাকর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও রুহুল কবির রিজভী।

সবার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় নিজের জন্য প্রস্তুত করা বিশেষ চেম্বারে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ২০০৮ সালে এই কার্যালয়টি চালু হওয়ার পর তারেক রহমান হয় কারাগারে ছিলেন অথবা নির্বাসনে। ফলে সশরীরে এই কার্যালয়ে এটিই হতে যাচ্ছে তার প্রথম সফর। তার আগমনকে কেন্দ্র করে গুলশান কার্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

জানা গেছে, শুধু গুলশান কার্যালয়ই নয়, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তারেক রহমানের জন্য আলাদা চেম্বার তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া গুলশানে পৃথক একটি বাসা ভাড়া নেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় ফেরার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তারেক রহমান। প্রথম দিন সংবর্ধনা ও বক্তৃতা শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে মা খালেদা জিয়াকে দেখতে যান। এরপর শুক্রবার তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

গতকাল শনিবার তিনি শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত, নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করা, ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো, শ্বশুর মাহবুব আলী ও পিলখানার শহীদ সেনা সদস্যদের কবর জিয়ারত করাসহ ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি