১৩ আগস্ট ২০২৬

সাংবাদিক অমিত হাবিবের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
সাংবাদিক অমিত হাবিবের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক অমিত হাবিবের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাতে এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১০ মিনিটে নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অমিত হাবিব। হৃদরোগজনিত সমস্যা নিয়ে কয়েকদিন ধরেই তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার সকাল দশটায় দেশ রূপান্তরের অফিসে মরহুমের প্রথম জানাজা হবে। পরে বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে নেওয়া হবে প্রয়াত এই বিশিষ্ট সাংবাদিকের মরদেহ। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা হবে। এর আগে বার্তাকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হলে গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় অমিত হাবিবকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গেছে, অমিত হাবিব গত বছর হার্ট অ্যাটাক করেছিলেন। এছাড়া ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। ১৯৮৭ সালে খবর গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সে একই সঙ্গে রিপোর্টার ও সাব-এডিটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন অমিত হাবিব। পরে সাপ্তাহিক পূর্বাভাস পত্রিকায় সাব-এডিটর পদে যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের কাগজ পত্রিকায় সিনিয়র সাব-এডিটর হয়ে যোগ দেন। এর পরের বছর একই পদে যোগ দেন দৈনিক ভোরের কাগজে। অল্প দিনের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পরে বার্তা সম্পাদক হন তিনি। ২০০৩ সালে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রধান বার্তা সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। তবে পত্রিকাটি বাজারে আসে ২০০৬ সালে। ২০০৭ সালে চীনের আন্তর্জাতিক বেতারে বিদেশি বিশেষজ্ঞ হিসেবে যোগ দিয়ে পেইচিংয়ে কর্মরত থাকা অমিত হাবিব দেশীয় সাংবাদিকতার সঙ্গে দূরত্বের কথা বিবেচনায় তা ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন। ২০০৯ সালে দৈনিক সমকালের প্রধান বার্তা সম্পাদকের পদ ছেড়ে কালের কণ্ঠে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। পরে ২০১৩ সাল থেকে উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দৈনিক দেশ রূপান্তরের সূচনালগ্ন থেকে তিনি সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি