৩০ জুন ২০২৬

সেলাই মেশিন ক্রয়ে ৩৭ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ১২:০২ পিএম
সেলাই মেশিন ক্রয়ে ৩৭ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

ফাইল ছবি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: অনগ্রসর মহিলাদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেটে সেলাই মেশিন ক্রয়ে ৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। 

তিনি বলেছেন, সেলাই মেশিন ক্রয়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ক্রয়সাপেক্ষে মেশিন বিতরণ করা হবে। 

সোমবার জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। 

জামালপুর-৩ আসনের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন আইন, নীতিমালা, সেবাকেন্দ্র ও সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’ 

তিনি বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০২৬ সংসদের প্রথম অধিবেশনেই পাস হয়েছে। এ আইনের আওতায় শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলার বিচার পরিচালিত হবে। এছাড়া অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ডিএনএ আইন, ২০১৪ অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

তিনি জানান, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে সমন্বিত সেবা দিতে সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। 

মন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টোল-ফ্রি ন্যাশনাল হেল্পলাইন-১০৯ চালু রয়েছে। এই লাইনের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮৮ লাখ ৪৬ হাজার ৯৪০ জন নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

নড়াইল-১ আসনের সংসদ-সদস্য বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, সরকারিভাবে কোনো পাটকল চালু নেই। ফলে সরকারিভাবে নতুন কোনো পাটক্রয় ও সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। 

তিনি বলেন, বিজেএমসির ২৫টি মিলের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তন্মধ্যে ২০টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত হয়। ইতোমধ্যে ১৪টি মিল ইজারা দেওয়া হয়েছে, যার ৯টি চালু হয়েছে। বাকি ৬টি মিলের ইজারা প্রদান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। 

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সংসদ-সদস্য আব্দুস সালামের প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জানান, বস্ত্রশিল্প দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে বছরে দেশে প্রায় ৮শ কোটি মিটার বস্ত্রের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে ৪শ কোটি মিটার ওভেন কাপড় এবং ৪শ কোটি মিটার নিট কাপড়। 

তিনি বলেন, দেশের মিলগুলো নিট খাতে মোট চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং ওভেন খাতে প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ করছে। এছাড়া হস্তচালিত তাঁতশিল্প থেকে বছরে ৪৭ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার মিটার কাপড় উৎপাদিত হয়, যা দেশের মোট বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশ পূরণ করে। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি