শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, দেশে এ পর্যন্ত ৩৯২টি আন্দোলন হয়েছে, যার লক্ষ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এমপিও শিক্ষকদের ট্রান্সফার নিয়ে আমার মাথায় প্রচন্ড বোঝা! আমি এনটিআরসি করেছিলাম বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে। সেই এনটিআরসিতে আমরা সার্টিফিকেট দেব, শিক্ষকরা গিয়ে এলাকার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে যাবে, সেখানে তারা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেবে। লাস্ট গভর্নমেন্ট তাদেরকে ঢালাও সার্টিফিকেট দিয়েছে, ঢালাও অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছে, ঢালাও জায়গায় জায়গায় পোস্টিং দিয়েছে!’
তিনি বলেন, ‘এখন কচুয়ার পোস্টিং নিয়েছে রংপুরেরটা, রংপুরেরটা নিয়েছে বরিশালে, বরিশালেরটা নিয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন আমি আসার পরে সব আমার মাথায় ঢুকলো যে আমাদের ট্রান্সফার করতে হবে। আমি দেখলাম অবভিয়াসলি কচুয়ার যদি রংপুরের ছেলে থাকে তাকে রংপুর পাঠিয়ে দিই। আমি একটা অ্যাপস তৈরি করলাম ট্রান্সফারগুলি করার জন্য।’
বদলির আবেদন নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এখন সবাই ট্রান্সফার চায়। কচুয়া থেকে চায় ভিকারুননিসা! কচুয়া থেকে চায় আইডিয়াল স্কুল! কচুয়া থেকে চায় মনিপুর, শাহিন স্কুল! বুঝলেন তো?’
শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বদলি নিয়ে চাপ দেওয়ার প্রসঙ্গে ড. মিলন বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক, শিক্ষক প্রতিনিধি হয়ে আমাকে ধমক দেয়—৩১শে অক্টোবরের মধ্যে যদি ট্রান্সফার না হয়, তাহলে দেখে নেবে! কাকে? আমাকে! বুঝলেন তো? আপনি এমপিও শিক্ষক, আপনি স্কুলে গিয়ে পড়ান, মাদ্রাসায় গিয়ে পড়ান। আপনার দায়িত্ব এটা না, এটা আমার দায়িত্ব! লেট মি ডু ইট (আমাকে করতে দিন)!’
দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘কোথায় দেশটা দাঁড়িয়েছে বুঝতে পেরেছেন? এই পর্যন্ত ৩৯২টি এজিটেশন (আন্দোলন) হয়েছে বাংলাদেশে! টার্গেট কে, বলেন তো? এডুকেশন মিনিস্ট্রি!’
বিপি > এসপি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ৪টি নতুন পাঠ্যপুস্তক অনুমোদন
সঙ্গীত একাডেমি