১৫ এপ্রিল ২০২৬

সংগীত থেকে দূরে থাকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স গেলেন রিহ্যাবে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৪ এএম
সংগীত থেকে দূরে থাকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স গেলেন রিহ্যাবে

মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   পপ সম্রাজ্ঞী ব্রিটনি স্পিয়ার্স স্বেচ্ছায় একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে (রিহ্যাব) ভর্তি হয়েছেন। গত মার্চ মাসে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। এই সংগীতশিল্পীর প্রতিনিধি তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভেনচুরা কাউন্টিতে অসংলগ্নভাবে গাড়ি চালানোর সময় পুলিশের হাতে আটক হন ব্রিটনি। পরীক্ষায় তার শরীরে মাদক ও অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তখন সাময়িকভাবে তাকে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় ব্রিটনির ম্যানেজার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ‘ব্রিটনির এই আচরণ সম্পূর্ণ ক্ষমা অযোগ্য। সে এখন আইন মেনে সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। আশা করি, তার জীবনে যে পরিবর্তনের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ছিল, এটিই হবে তার প্রথম ধাপ।’

মার্কিন সংগীত ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী এই শিল্পী গত কয়েক বছর ধরে গান থেকে দূরে আছেন। ২০১৬ সালে তার শেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। ২০২২ সালে এলটন জনের সঙ্গে ‘হোল্ড মি ক্লোজার’ গানের মাধ্যমে তিনি চার্টের শীর্ষে ফিরলেও, ২০২৪ সালে ঘোষণা দেন যে, তিনি আর কখনোই গানের জগতে ফিরবেন না। 

এমনকি ২০২৫ সালের শেষের দিকে তিনি তার গানের সমস্ত স্বত্ব (ক্যাটালগ) প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ‘প্রাইমারি ওয়েভ’-এর কাছে বিক্রি করে দেন। 

২০২৩ সালে প্রকাশিত তার আত্মজীবনী ‘দ্য ওম্যান ইন মি’ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাফল্য পায়। বর্তমানে এই বইটি নিয়ে একটি সিনেমা নির্মাণের কাজ চলছে, যা পরিচালনা করবেন ‘উইকেড’ খ্যাত পরিচালক জন এম চু। 

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর ব্রিটনি তার বাবার কঠোর ‘কনজারভেটরশিপ’ বা আইনি অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন। সেই সময় তার খরচ, খাদ্যতালিকা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর চরম বিধিনিষেধ ছিল, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ব্রিটনি স্পিয়ার্স সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।  সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি