৪ এপ্রিল ২০২৬

সৈয়দপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
সৈয়দপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

এম আর আলী টুটুল, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের গোলাহাটের ঘোড়াঘাট রেল কলোনীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তরা ইপিজেডের এভার গ্রিন ফ্যাক্টরির কর্মচারী আশিকুজ্জামান সুমন (৩০) কে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বখাটেরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, ওই এলাকায় করোনা ভাইরাসকে কেন্দ্র করে অন্য এলাকার লোক যাতে আসতে না পারে সেজন্য বাঁশের বেড়া দেয়া হয়। এতে বাধা প্রদান করে পাশের বাড়ির সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার জিওএইচ সপের কর্মচারী আমির উদ্দিন সহ আব্দুর রহমান, ফিরোজ, রাকিব, সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার কামারশাল সপের কর্মচারী আবু বক্করের ছেলে বাবু সহ অনেকে। এ বাধা দেয়া নিয়ে ঝগড়া শুরু হয় প্রতিবেশি সিদ্দিকের সাথে। ঝগড়ার জের ধরে বাঁশের বেড়া ভেঙে ফেলে আব্দুর রহমানরা। এতে পরিস্থিত্তি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে এ ঝগড়া সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে হাতাহাতির সময় ফিরোজা বেগম নামে একজনের হাত ভেঙ্গে যায়।

এটাকে কেন্দ্র করে আব্দুর রহমানরা সিদ্দিকের পরিবারকে দেখে নেয়ারও হুমকি দেয়। তারা এলাকার ৫০/৬০ জনের দল নিয়ে আসে সিদ্দিকের বাসায় হামলা করার জন্য। এতে সিদ্দিকরা ভয়ে বাসার দরজা বন্ধ করে দেয়। ঘটনা শুনে পাশের মহল্লায় থাকা সিদ্দিকের জামাই আশিকুজ্জামান সুমন ঘটনা স্থলে আসলে বখাটের দলটি তাঁকে চাকু দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় সুমন কোন রকম জীবন বাঁচাতে পাশের দোকানে ঢুকলে সেখানেও তাকে আঘাত করা হয়। ফলে সুমন গুরুত্বর আহতাবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে আশ পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। সুমন শহরের গোলাহাট এলাকার মৃত. আব্দুল জলিলের ছেলে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি