ভেঙে দেয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা, মমতা আর মুখ্যমন্ত্রী নন
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন রাজ্যপাল আরএন রবি। এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে সাংবিধানিকভাবে আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্যপাল আরএন রবি বলেন, আমি ভারতের সংবিধানের ১৭৪ অনুচ্ছেদের (২) ধারার (খ) উপ-ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিচ্ছি। যা ২০২৬ সালের ৭ মে থেকে কার্যকর হবে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানানা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকার বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক। আমি চাই আজকের দিনটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হোক।’
বুধবার (৬ মে) দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে মমতা জানান, গত ২৯ এপ্রিল শুরু হওয়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে তার দল আদালতে যাবে। মনোবল বাড়ানোর এই প্রচেষ্টার সঙ্গে ছিল একটি সতর্কবার্তাও। তিনি বলেন, কোনো তৃণমূল নেতা যদি প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে কথা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ লক্ষ্য একটি শৃঙ্খলা কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তবে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে থাকা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী জোর দিয়ে দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনো নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ঘটছে না। তার ভাষায়, ‘এ পর্যন্ত যে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলোর খবর এসেছে, তা ২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তুলনায় অনেক কম। কিছু দুষ্কৃতকারী এখনও সক্রিয় আছে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’
এদিকে দলকে আন্দোলনের ধারায়ও রাখতে চান মমতা। বিধানসভা অধিবেশন শুরুর দিন ‘কালো পোশাক দিবস’ হিসেবে পালন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করছেন তিনি। অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ‘অসৎ খেলা’ খেলেছে।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
নিউ ইয়র্কে দ্বিতীয় বাড়ির ওপর নতুন করসহ ২৬৮ বিলিয়ন ডলারের বাজেট চুক্তি
দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা বৈঠকে বসেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ও সর্বোচ্চ নেতা
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি