বাংলাপ্রেস ডেস্ক: টানাতো বটেই, কখনো কোনো খেলায় দু’বার দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব জয়ের রেকর্ড নেই বাংলাদেশের। নারীদের সামনে সেই ইতিহাস গড়ার হাতছানি। আজ নারী সাফের ফাইনালে প্রতিপক্ষ নেপাল। এক ঘণ্টা পিছিয়ে বুধবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় শুরু হবে ফাইনাল। লাল সবুজ প্রথমবার পেয়েছিল ছাদখোলা বাসে অভিবাদন। এবার শুধুই চাওয়া নতুন বাংলাদেশকে সাফল্য উপহার দেয়া।
রূপালী ট্রফি জয়ের স্বাদ বাংলাদেশ জানা। দু’বছর আগে সাবিনার হাতেই উঠেছিল এই দশরথ স্টেডিয়ামে। নেপালের জন্য বাংলাদেশ যেমন, তেমনি বাংলাদেশের জন্য নেপাল। চেনা প্রতিপক্ষ, চেনা ভেন্যু।
বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা বলেন, নেপালের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা অনেকেরেই আছে। আমার মনে হয় যারা হোস্ট থাকে তাদের জন্য বেশি চাপের থাকে। আমি আমার দল নিয়ে কনফিডেন্ট।
সেবারের মত এবারও নেতৃত্বে সাবিনা খাতুন। দুদলের তুলনায় না গেলেও, প্রথমকে ভুলতে পারেননি।
সাবিনা আরও বলেন, গতবার প্রতিটি খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তারা সকলেই জান দিয়ে খেলেছে। সেটার সঙ্গে এটাকে তুলনা করতে চাইলে আমি দু’দলকেই এগিয়ে রাখব।
ফাইনালের আগে কোচ-ফুটবলারদের স্পষ্ট দূরত্ব নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়নি। বরং ফুটবলারদের প্রশংসাই করেছেন ইংলিশ কোচ।
বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার বলেন, মেয়েরা দারুন ছন্দে আছে। এই পর্যন্ত আসার সব কৃতিত্ব তাদের। একজনের উপর কোনো দল নির্ভর করেনা। ওরা ভালো খেলেছে বলেই ফাইনালে।
টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার রেখা পোউদৌলকে মিস করবে নেপাল। সেমিতে লাল কার্ড দেখে খেলতে পারবেন না ফাইনাল। সেটা বাংলাদেশের স্বস্তির নাম। তবে ফ্রেঞ্চ লিগ খেলা সাবিত্রা ভান্ডারিকে নিয়ে সাবধানী দল।
নেপাল অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলা সুব্বা বলেন, এখন না হলে কখন। আগের সববারের চেয়ে মনে হয় এবার আমাদের বন্ডিংটা বেশি। অতীত নিয়ে ভাবছি না।
গেলো ছয় আসরে পাঁচবার ফাইনাল খেলেও নেপালের ছোঁয়া হয়নি দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব। অন্তত এবার তা পূর্ণ করতে চান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলা সুব্বা।
নেপাল কোচ রাজেন্দ্র তামাং বলেন, বাংলাদেশ টেকটিক্যালি এগিয়ে। তবে আপনারা দেখেছেন, নেপালিদের সমর্থন। যা ম্যাচে বাড়তি অনুপ্রেরণা।
পরিসংখ্যান পক্ষে নেই বাংলাদেশের। আগের ১২ বারের দেখায় মাত্র একবারই জিতেছে সাবিনা, ঋতুপর্ণারা। সেটা গেলবার ফাইনালে।
যে ফাইনাল জিতে ছাদ খোলা বাসে অভিবাদন পেয়েছিলো নারী দল। এবার এমন কিছু চাওয়া নেই, শিরোপা জেতাটাই মুখ্য।
বিপি/টিআই