৩৯ বছরেও মেসির তারুণ্য ধরে রাখার রহস্য কী?
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চলমান বিশ্বকাপে ৩৯ বছরে পা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। রয়েছেন অবিশ্বাস্য ফর্মে।
গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে থাকার পাশাপাশি একের পর এক ঐতিহাসিক রেকর্ড ভাঙছেন তিনি। বয়সের কোটা প্রায় চল্লিশ ছুঁই ছুঁই হলেও মাঠে তার পারফরম্যান্স উদীয়মান তরুণদের মতো।
আর্জেন্টিনার অধিনায়ক ও তার মেডিক্যাল টিমের কঠোর ও নিখুঁত পরিকল্পনাই এই বিস্ময়ের পেছনের মূল চাবিকাঠি।
প্রতিটি ম্যাচ বা ভারী অনুশীলনের পর মেসি বরফ-শীতল পানিতে স্নান করেন।
এটি পেশির ক্লান্তি ও প্রদাহ দ্রুত কমিয়ে শরীরকে আবার সতেজ করে তোলে। খবর দিয়ারিও ওলে
পায়ের রক্ত সঞ্চালন সচল রাখতে এবং জমে থাকা ল্যাকটিক এসিড দূর করতে তিনি নিয়মিত নিউমেটিক কম্প্রেশন বুট বা বিশেষ বায়ুচাপযুক্ত বুট ব্যবহার করেন।
পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম নিশ্চিত করার পাশাপাশি ম্যাচ এবং অনুশীলনের আগে-পরে শরীরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে কঠোর নিয়ম মেনে পানি ও তরল খাবার পান করেন।
তিনি কঠোরভাবে পুষ্টিকর ও ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েট মেনে চলেন।
তবে মানসিক ক্লান্তি এড়াতে পুষ্টিবিদদের পরামর্শে মাঝে মাঝে পছন্দের খাবারে সামান্য ছাড়ও দেন।
আর্জেন্টিনা দলের ভেতর একটি অলিখিত চুক্তি রয়েছে—সবাই মেসির জন্য এবং মেসি সবার জন্য। মাঠে দলের অন্য সদস্যরা অতিরিক্ত দৌড়ে মেসির জন্য জায়গা তৈরি করেন।
ফলে মেসি মাঠের পরিস্থিতি নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে সঠিক সময়ে নিজের সেরাটা দিতে পারেন এবং বাড়তি শারীরিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখেন।
উন্নত চিকিৎসা, কঠোর শৃঙ্খলা এবং দলের সতীর্থদের দারুণ সহযোগিতার এই মেলবন্ধনেই ২০২৬ বিশ্বকাপে এসেও আগের বিশ্বকাপগুলোর মতোই দুর্দান্ত গতি ও নৈপুণ্য ধরে রেখেছেন এলএমটেন।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি