৫ আগস্ট ২০২৬

৫ ক্রু নিয়ে পাকিস্তানি কার্গো বিমানের সন্ধান মিলছে না

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:০২ পিএম
৫ ক্রু নিয়ে পাকিস্তানি কার্গো বিমানের সন্ধান মিলছে না

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি আসার পথে পাঁচজন ক্রুসহ পাকিস্তানের একটি মালবাহী বিমান নিখোঁজ হয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে করাচির এয়ার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে কেটু এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৩৭-৪০০ মডেলের কার্গো বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ হওয়ার ঠিক আগে স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৮ মিনিটে বিমানটির পাইলট দিকনির্ণয় ব্যবস্থায় ত্রুটি দেখা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

এর জবাবে স্থানীয় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে পথ দেখানোর চেষ্টা করলেও, মাত্র তিন মিনিট পরেই রাডার থেকে বিমানটি সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে বিমানটি করাচি উপকূল থেকে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার পশ্চিমে আরব সাগরের উপরে অবস্থান করছিল।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রাডার থেকে হারিয়ে যাওয়ার আগে বিমানটির উচ্চতায় চরম ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে।

শেষ মুহূর্তে বিমানটি মাত্র এক মিনিটেরও কম সময়ে প্রায় ৫০০০ ফুট নিচে নেমে যায়।

এর ঠিক ৩০ সেকেন্ড পর এটি আবার ৬০০০ ফুট ওপরে উঠলেও শেষ পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৫৫০ ফুট উচ্চতা থেকে একবারে খাড়া নিচের দিকে আছড়ে পড়তে শুরু করে।

রেডারে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১১০০ ফুট ওপরে থাকা অবস্থায় প্রতি মিনিটে ২২৪০০ ফুট (ঘণ্টায় প্রায় ৪০০ কিলোমিটার) গতিতে নিচে নামছিল।

পাকিস্তান বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (পিএএ) জানিয়েছে, উড়োজাহাজে পাঁচজন ক্রু ছিলেন। শারজাহ থেকে করাচিগামী কে২ এয়ারওয়েজের বোয়িং ৭৩৭ পাকিস্তান কার্গো ফ্লাইটটি রাত ৯টা ১৮ মিনিটে নেভিগেশনাল সিস্টেমে সমস্যার কথা জানিয়েছিল। এরপরই করাচি এরিয়া কন্ট্রোল সেন্টার (এসিসি) তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নির্দেশনা দেয়।

নিখোঁজ বিমান ও ক্রুদের সন্ধানে সাগরে সমন্বিত তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

ফ্লাইটরাডারের তথ্য অনুযায়ী, এপি-বিওআই নিবন্ধিত উড়োজাহাজটি হচ্ছে বোয়িং ৭৩৭-৪এম০ (বিডিএসএফ), যা ২০২৪ সালে কে২ এয়ারওয়েজের বহরে যুক্ত হয়েছিল।

এই উড়োজাহাজ মূলত ১৯৯৯ সালে একটি যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে অ্যারোফ্লট-এ যুক্ত হয়েছিল। এরপর ২০০৪ সালে গারুডা ইন্দোনেশিয়াযর বহরে যুক্ত হয়। এটিকে ২০১২ সালে মালবাহী উড়োজাহাজে রূপান্তর করা হয়। পরবর্তী সময়ে এটি টিএনটি এয়ারওয়েজ ও এএসএল এয়ারলাইসের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছিল। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি