৩ এপ্রিল ২০২৬

আমার মতো নির্যাতিত আর কেউ নেই: এরশাদ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
আমার মতো নির্যাতিত আর কেউ নেই: এরশাদ

বাংলাপ্রেস রাজনীতি ডেস্ক: আমার মতো নির্যাতিত, নিপীড়িত নেতা বাংলাদেশে আর একজনও নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, স্ব-ইচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার পর পাঁচদিনের মাথায় আমাকে জেলে যেতে হয়েছে। আমার ওপর নানারকম অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়েছে। মনে জোর ছিল বলে টিকে আছি। কেউ আমাকে দমাতে পারেনি।

বুধবার সকালে ঢাকার গুলশানের একটি কনভেনশন সেন্টারে এরশাদের জন্মদিনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। দলের চেয়ারম্যানের ৯০তম জন্মদিন পালন উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে হুইল চেয়ারে করে আসেন এরশাদ।

১৯৮২ সালে বিচারপতি সাত্তারকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে রাষ্ট্রপতি হন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ক্ষমতায় থেকেই প্রতিষ্ঠা করেন তার দল জাতীয় পার্টি। সম্মিলিত বিরোধী দলের আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এরশাদ সরকার।

বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার এরশাদকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়। এরপর ক্ষমতায় আসেন খালেদা জিয়া। পতনের পর এরশাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ৪২টি মামলা হয়। তিনটি মামলায় তার সাজার আদেশ হয় এবং একটিতে সাজা ভোগ করেন। খালেদা সরকারের মেয়াদের পুরোটাই জেল খাটতে হয় এরশাদকে। ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ১৯৯৭ সালের জানুয়ারিতে কারামুক্ত হন তিনি।

মনজুর হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে এরশাদ বলেন, এ মামলার রায় একাধিকবার রায় লেখা শেষ হলেও শেষ পর্যন্ত রায় দেয়া হয়নি। বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে রায় পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। নতুন করে স্বাক্ষ্য প্রমাণ নিয়েছে। এভাবে নির্যাতন সহ্য করেছি। এখনো অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এরশাদ বলেন, আমার শেষ কথা জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করুন। দলকে আগামীতে ক্ষমতায় আনুন।

অনুষ্ঠানে জাপার কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছে। কিন্তু স্বাধীনতার সুফল দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন এরশাদ। তার কর্মকাণ্ড তরুণ প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি