৩ এপ্রিল ২০২৬

আসিফ মাহমুদের স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাত্র ৬১৩ টাকা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ১১:২২ পিএম
আসিফ মাহমুদের স্ত্রীর 	ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাত্র ৬১৩ টাকা

আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের জবাবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। নিজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক হিসাব তুলে ধরেন। এরমধ্যে তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৬১৩ টাকা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ-সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন তিনি।

আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগের সময় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কাছে আমার আয় ও সম্পদের সম্পূর্ণ বিবরণী পেশ করে এসেছি। এরপরও যেহেতু এসব নিয়ে জল্পনা করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তখন আমি মনে করছি, আমার এবং আমার পরিবারের সবার ব্যাংক হিসাব জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা প্রয়োজন। যেন এই বিষয়গুলো নিয়ে কেউ কোনো ধরনের বিভ্রান্তি করতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আমি শুধু আমার ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে আমারসহ পরিবারের সবার ব্যাংক স্টেটমেন্ট উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিই, যেন এই বিষয়গুলোতে আর কোনো প্রশ্ন অবশিষ্ট না থাকে।’

পরিবারের সদস্যদের সম্পদের বিবরণ জানিয়ে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার বাবার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। এই পাঁচটি ব্যাংকে মোট ক্রেডিট আছে ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৭১১ টাকা। কিন্তু আমার বাবার সার্ভিস লোন আছে, উনি শিক্ষক হিসেবে ১০ লাখ টাকার একটি সার্ভিস লোন নিয়েছিলেন। যেটা প্রতি মাসে উনার সেলারি থেকে কেটে নেওয়া হয়। সার্ভিস লোনের এখনো পেমেন্ট বাকি আছে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। সুতরাং, যা ক্রেডিট আছে সেটা যদি বাদ দিই তাহলে এখনো ৮২ হাজার ৩৫ টাকার মতো দেনায় আছেন তিনি।’

তিনি বলেন, ‘আমার মায়ের একটিই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। যেখানে ২১ হাজার ১৫৪ টাকা আছে। এ ছাড়া আমার স্ত্রীর একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে, সেখানে ৬১৩ টাকা আছে। আর আমার নিজের দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে। এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকে আমার একটি ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্টে ৯ হাজার ৯৩০ টাকা আছে। আরেকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো আমার সেলারি অ্যাকাউন্ট। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় যাতায়াতসহ সরকারের অন্যান্য ভাতার লেনদেন এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ১৬ মাস দায়িত্বে ছিলাম। সেলারি গড়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার করে ধরে ভাতাসহ অন্যান্য সব লেনদেন এই অ্যাকাউন্টেই হয়েছে। বর্তমানে এই অ্যাকাউন্টে মোট ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৬ টাকা আছে। সব মিলিয়ে এই অ্যাকাউন্টে বেতনসহ মোট ক্রেডিট হয়েছে ৮৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা। আর ডেবিট হয়েছে ৭৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। সবমিলিয়ে আমার দুটি অ্যাকাউন্টে মোট ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৫৬ টাকা রয়েছে।’সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি