২৬ জুলাই ২০২৬

‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে ভারতে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে ভারতে মুসলিম দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ

সংগৃহীত ছবি

‘বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  বাংলাদেশি’ আখ্যা দিয়ে এক দম্পতিকে হেনস্তা ও মারধরের অভিযোগে ভারতের বেঙ্গালুরুতে এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে ওই দম্পতিকে ভারত থেকে একবার বিতাড়িত করা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন ওই চিকিৎসক। 

বুধবারের (২২ জুলাই) এই ঘটনার পর বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তবে ওই দম্পতির জাতীয়তা ও অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা এখনো যাচাই করে দেখা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডা. নগেন্দ্রাপ্পা নামের ওই চিকিৎসকের বেঙ্গালুরুতে নিজস্ব ক্লিনিক রয়েছে। বুধবার সকালে তিনি রাস্তায় ২৩ বছর বয়সি নাসরিনা এবং তাঁর স্বামী মোহাম্মদ বিলালের পথরোধ করেন।

নাসরিনা তার অভিযোগে জানান, ডা. নগেন্দ্রাপ্পা জাতীয়তা তুলে প্রথমে তাদের হিন্দিতে গালিগালাজ করেন। এরপর নাসরিনাকে টেনেহিঁচড়ে মারধর করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এরপর ওই চিকিৎসক তার স্বামী বিলালের ওপর চড়াও হন। বিলালের মাথা ও পিঠে বারবার আঘাত করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে লাথি মারা হয় এবং এ ঘটনা পুলিশকে জানালে হত্যার হুমকিও দেন ওই চিকিৎসক।

এ ঘটনায় বেলান্দুর থানা-পুলিশ ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মারধর, নারীর শ্লীলতাহানি, বেআইনিভাবে পথরোধ ও অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

তদন্তকারী এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমরা এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি।

গ্রেফতারের কিছুক্ষণ আগে অভিযুক্ত চিকিৎসক ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করেন। ওই ভিডিওতে তাকে দম্পতিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে অভিযুক্ত করতে শোনা যায়। তারা ভারত থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর আবারও ফিরে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিলালকে কন্নড় ভাষায় উত্তর দিতে শোনা যায় যে, তিনি গত ২০ বছর ধরে বেঙ্গালুরুতেই বসবাস করছেন। ভিডিওটিতে অভিযুক্ত চিকিৎসককে বিলালের গায়ে হাত তুলতেও দেখা যায়।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, শুক্রবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অভিযুক্ত ডা. নগেন্দ্রাপ্পা। সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট


সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি