২১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের ভক্তদের উৎসবে হামলার হুমকি তদন্ত করছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
বিশ্বকাপের ভক্তদের উৎসবে হামলার হুমকি তদন্ত করছে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ

বিশ্বকাপের গোঁড়া ভক্তদের উৎসবে হামলার হুমকি

আবু সাবেত: যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)-এর সচিব মার্কওয়েইন মুলিন সোমবার জানিয়েছেন, ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে আয়োজিত গোঁড়া ভক্তদের উৎসবে হামলার হুমকির ঘটনায় ফেডারেল কর্তৃপক্ষ সক্রিয়ভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুলিন বলেন, এটি একটি তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল। ফেডারেল ও স্থানীয় সংস্থাগুলোর সমন্বিত সহযোগিতার কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটার আগেই আমরা তা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছি। তদন্ত এখনও চলছে।
তিনি আরও বলেন, হুমকিটি আর বিদ্যমান নয়, তবে মামলার তদন্তে আমরা এখনও সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।
মুলিন জানান, তদন্তের স্বার্থে তিনি হুমকিটি দেশীয় নাকি বিদেশি উৎস থেকে এসেছে, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না। একই সঙ্গে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কোন ফ্যান ফেস্টকে টার্গেট করা হয়েছিল, সেটিও প্রকাশ করেননি।
তিনি বলেন, আমি স্থানটির নাম বলতে পারছি না। তবে হুমকিটি ছিল যানবাহন ব্যবহার করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা, যা বিশেষভাবে একটি ফ্যান ফেস্টকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল। সৌভাগ্যবশত, ফেডারেল অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা তা প্রতিহত করতে পেরেছি।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ১১টি শহরে মোট ৭৮টি ম্যাচের আয়োজন করে। এর মধ্যে ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বকাপের ফাইনাল।
এদিকে, এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল বলেন, বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ছিল 'এফবিআইয়ের ইতিহাসে সম্ভবত সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা অভিযান।'
অন্যদিকে, ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিএসএ) বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ৩০০টিরও বেশি ড্রোন জব্দ করেছে।
এছাড়া রোববার নিউ জার্সির বেডমিনস্টার ও ইস্ট রাদারফোর্ড এলাকার সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের চেষ্টা করা একাধিক বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান বাধা দেয়।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি