১৮ মে ২০২৬

ব্যাংককে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর চালকের শরীরে মিলল মাদক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
ব্যাংককে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার পর চালকের শরীরে মিলল মাদক


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে একটি যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো বহু মানুষ।

এ ঘটনায় ট্রেনচালকের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। খবর বিবিসির।
পুলিশ জানিয়েছে, ট্রেনচালকের মূত্র পরীক্ষায় মাদকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। তবে ঠিক কোন ধরনের মাদক পাওয়া গেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।

এ ঘটনায় ট্রেনচালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া চালনার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ ছাড়া বাসচালক এবং লেভেলক্রসিংয়ের ব্যারিয়ার নামানোর দায়িত্বে থাকা প্রহরীকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। থাইল্যান্ডে ওই লেভেলক্রসিংয়ের ব্যারিয়ার এখনো ম্যানুয়ালি পরিচালিত হয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

থাইল্যান্ডের রেল পরিবহন বিভাগের মহাপরিচালক পিচেত কুনাধামরাকস বলেন, দুর্ঘটনার পর সব ট্রেনচালক ও রেলকর্মীর জন্য বাধ্যতামূলক মাদক ও অ্যালকোহল পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ট্রেনের ব্ল্যাক বক্সের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাসটির প্রায় ১০০ মিটার দূরে থাকা অবস্থায় জরুরি ব্রেক প্রয়োগ করা হয়েছিল। তবে এত অল্প দূরত্বে সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি।

শনিবার বিকেলে ব্যাঙ্ককের ব্যস্ত আসোক-দিন দ্যাং লেভেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রেললাইনের ওপর থেমে থাকা একটি পাবলিক বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয় পণ্যবাহী ট্রেনটি। সংঘর্ষের পরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায়।

দুর্ঘটনার সময় তীব্র যানজটে বাসটি রেললাইনের ওপর আটকে পড়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য মতে, আসোক-দিন দ্যাং লেভেলক্রসিংটি ব্যাঙ্ককের অন্যতম ব্যস্ত এলাকা। প্রতিদিন সেখানে বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে।

থাইল্যান্ডের স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আমর্ন ফিমার্নমাস বলেন, প্রতিদিন এক লাখের বেশি যানবাহন ওই লেভেলক্রসিং ব্যবহার করে, যা নিরাপদ সীমা অতিক্রম করে।

তার ভাষায়, মানুষ ঝুঁকিকে স্বাভাবিক হিসেবে নিতে শুরু করেছে। আর এমন মানসিকতাই বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

সূত্র: বিবিসি

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি