চট্টগ্রামে কেয়ার টেকারের স্ত্রীকে ধর্ষন
চট্টগ্রাম থেকে সংবাদদাতা: চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন গিয়াস উদ্দীন নামের এক বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে বাড়ির কেয়ার টেকারের স্ত্রী কে জোরপূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নারীও শিশু ট্রাইব্যুনালে ধর্ষন মামলা দায়ের করেছেন কেয়ার টেকারের ধর্ষিনের শিকার স্ত্রী।
মামলা অভিযোগ সূত্রে জানায় বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীনের নগরীর সাগরিকা ভবনে কেয়ার টেকার হিসেবে চাকুরী নেয় ধর্ষিতার স্বামী জাকির।চাকুরীতে যোগদানের একদিন পর কেয়ার টেকার কে বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীন পরিবার নিয়ে আসার অফার করেন। ভবনের ৭ তলায় একটি রুমের ও অফার করেন। বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীনের কথামত কেয়ার টেকার জাকির ফ্যামেলীসহ নিয়ে আসেন। কিছুদিন থাকার পর জমিদার পরিচয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এই ঘটনায় গত ২৮ ই আগস্ট বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নারী শিশু ট্রাইব্যুনালে বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীনের বিরুদ্ধে ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।ধর্ষক গিয়াসউদ্দীনের গ্রামের বাড়ি মিরসরাই উপজেলার পশ্চিম বাড়ীয়াখালীর জোরারগঞ্জ এলাকার তাজুল ইসলামের পুত্র। গিয়াসউদ্দীনের নগরীর সরাই পাড়া এলাকার নিজস্ব বিল্ডিং এ থাকেন।ধর্ষক গিয়াসউদ্দীনের নামে পাহাড়তলী থানায় জি আর ১১৭/১৭ নামে একটি ধর্ষন মামলা হয়। অন্য একটি মামলায় গিয়াসউদ্দীন ২০১৭ সালে গ্রেফতার হয় পুলিশের হাতে।
গিয়াসউদ্দীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে অহর। কেয়ার টেকারের স্ত্রী বাড়ির মালিকের নিকট ধর্ষনের ঘটনা আসামী প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন অকৌশল ও হাতে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রিভিউ হিউম্যান রাইটস নামের একটি সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব কফিলউদ্দিন সিকদার, মহিলাটি গরিব অসহায় হওয়ায় মামলাটিতে তাদের সংগঠনের পহ্ম থেকে আইনী সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানায়।এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রফিকুল হক বলেন, বাড়ির মালিক গিয়াসউদ্দীন আমার মক্কেল কে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করেছে।তার বিরুদ্ধে এর আগেই এই ধরণের অভিযোগ রয়েছে যার কারণে ধর্ষন মামলার আসামী গিয়াসউদ্দীন শান্তি ভোগ করে গ্রেফতার ও হয়ে ছিলেন।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন