২১ জুলাই ২০২৬

চতুর্থবার বাবা হওয়ার সুখবর দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
চতুর্থবার বাবা হওয়ার সুখবর দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও তার স্ত্রী উষা ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  চতুর্থ সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও তার স্ত্রী উষা ভ্যান্স।  স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জুলাই) মেরিল্যান্ডের বেথেসদায় অবস্থিত ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে তাদের ছেলে সন্তানের জন্ম হয় বলে এক বিবৃতিতে জানান তারা।  খবর আল জাজিরার

এতে বলা হয়, ‘আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আজ সকালে আমাদের ছেলে অ্যালেক নীল ভ্যান্স জন্ম নিয়েছে।’

তারা আরও জানান, উষা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন। পরিবারের অন্য সন্তানরাও তাদের ছোট ভাইকে পেয়ে খুবই আনন্দিত।

ওহাইও অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা জেডি ভ্যান্স এবং ভারতীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান উষা ভ্যান্স ইয়েল ল স্কুলে পড়ার সময় একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হন। তারা ২০১৩ সালে সেখান থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

এই দম্পতির প্রথম ছেলে ইওয়ানের জন্ম ২০১৭ সালে। এরপর ২০২০ সালে তাদের দ্বিতীয় ছেলে বিবেক এবং ২০২১ সালে মেয়ে মিরাবেলের জন্ম হয়।

আল জাজিরা বলছে, অ্যালেক নীল ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে দেড় শতাধিক বছরের মধ্যে দায়িত্বে থাকা কোনও ভাইস প্রেসিডেন্টের ঘরে জন্ম নেওয়া প্রথম সন্তান। এর আগে সর্বশেষ উনিশ শতকে দায়িত্বে থাকা কোনও ভাইস প্রেসিডেন্ট বাবা হয়েছিলেন।

হোয়াইট হাউস হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮৭০ সালে স্কাইলার কোলফ্যাক্স ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী এলেন ওয়েডের ঘরে ছেলে সন্তান স্কাইলার কোলফ্যাক্স তৃতীয়ের জন্ম হয়েছিল।

সাবেক মার্কিন মেরিন সেনা জেডি ভ্যান্স যুক্তরাষ্ট্রে জন্মহার কমে যাওয়ার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। ২০২১ সালে ওহাইও থেকে সিনেট নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সময় থেকেই তিনি বেশি সন্তান নেওয়ার পক্ষে কথা বলে আসছেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০২৫ সালের ‘মার্চ ফর লাইফ’ সমাবেশে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই যুক্তরাষ্ট্রে আরও বেশি শিশু জন্ম নিক।’ সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি