২ মে ২০২৬

দেশে এখনো ন্যূনতম মজুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি : রিজভী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০১ মে ২০২৬, ০৯:৪২ এএম
দেশে এখনো ন্যূনতম মজুরি প্রতিষ্ঠিত হয়নি : রিজভী

 


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দেশে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নানাভাবে বাস্তবায়ন হলেও একটি স্ট্যান্ডার্ড ন্যূনতম মজুরি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক দল আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, আজ থেকে ১৩০ বছর আগে জার্মানির চ্যান্সেলর বিসমার্ক ন্যূনতম মজুরির কথা বলেছিলেন। তিনিই এটি প্রথম বলেছিলেন। এরপর অনেক শ্রমিক আন্দোলন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন হয়েছে; গোটা বিশ্বে এটি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড মিনিমাম ওয়েজেস এখনো নির্ণীত হয়নি। আজকেই আমি খবরের কাগজেও এটি পড়েছি।’

রিজভী আরও বলেন, ‘শ্রমিকের সন্তান তারেক রহমান এটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। জাতীয় ন্যূনতম মজুরি নানাভাবে হলেও একটি স্ট্যান্ডার্ড ন্যূনতম মজুরি এখনো এদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এ ছাড়াও লেবার কোর্ট ও ট্রাইব্যুনালে শত শত শ্রমিকের নামে প্রায় ২৭ হাজার ৫০০ মামলা রয়েছে। এগুলোর কোনো প্রতিকার এখনো হয়নি। এই বিষয়গুলো আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই বিবেচনায় নিয়ে শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করবেন। শ্রমিকরা মামলা চালাবে নাকি কলকারখানায় কাজ করবে? সভ্যতার চাকা তো শ্রমিকদের ঘাম, শ্রম আর রক্তে ঘোরে; তাই তাদের ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

বন্ধ জুটমিলগুলো পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সমন্বিত জাতীয় নীতির মাধ্যমে এগুলো সচল করা গেলে লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আদমজী জুট মিলের সামনে ২১০ মেগাওয়াট এবং গাজীপুরে ৮০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র করেছিলেন। এগুলো অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনার আমলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আত্মীয়-স্বজনকে বেশি টাকায় কুইক রেন্টাল করার সুযোগ দিতেই এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করা হয়েছিল। আমার বিশ্বাস, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয় দেখবেন।’


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি