৩১ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, ৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ফল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ এএম
দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, ৮ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ফল

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে। এবার পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। গত ৮ বছরের মধ্যে এটি এই শিক্ষা বোর্ডের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পাসের হার।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে চেয়ারম্যান কর্তৃক স্বাক্ষরিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন।

ফল প্রকাশ করে জানানো হয়, এবারে এই বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলার ৬৬৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছেন। মোট পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ।

এবারে এই বোর্ড থেকে ২ হাজার ৯৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী পেয়েছেন ১ হাজার ৫৭০ জন। এছাড়া শতভাগ পাস করেছেন ৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবং ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।


শিক্ষাবোর্ডের পরিসংখ্যান হিসাবে গত ৮ বছরের মধ্যে ২০১৬ সালে এই বোর্ডের অধীনে ৭৪.৬৪ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৬৫.৪৪ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬০.২১ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭১.৭৮ শতাংশ, ২০২০ সালে করোনার কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় ১০০ শতাংশ, ২০২১ সালে সব বিভাগে তিনটি ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ায় ৯২.৪৩ শতাংশ, ২০২২ সালে সব বিষয়ে পরীক্ষায় ৭৯.০৮ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৪.৪৮ শতাংশ ২০২৪ সালে ৭৭.৫৬ শতাংশ ও ২০২৫ সালে ৫৭.৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায় এবারে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৬৬.৭৭ শতাংশ, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৩৯.৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পাসের হার ৩৫.৭৩ শতাংশ। এর মধ্যে ছেলেরা ৪১.৩১ শতাংশ এবং মেয়েরা ৫০.২৬ শতাংশ পাস করেছে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি